/ ফিচার / টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণ: তারেক রহমানকে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে হবে
টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণ: তারেক রহমানকে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে হবে
নতুন বার্তা, ঢাকা:
Published : Sunday, 22 February, 2026 at 12:03 AM
টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণ: তারেক রহমানকে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে হবেবসন্ত শুরু দুই দিন আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান নেতৃত্বে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা করেছে বিএনপি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতা নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নিষেধাজ্ঞার কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ ।
এবারের নির্বাচনের ফলাফলের মধ্য দিয়ে একটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামীর আবির্ভাবও ঘটেছে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর থেকে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিই পালাক্রমে শাসন করেছে ঢাকার মসনদ। ইসলামপন্থি দল জামায়াত কখনো এককভাবে ক্ষমতায় যেতে না পারলেও, দুর্নীতিতে না জড়ানোর খ্যাতি রয়েছে দলটির। এবারের নির্বাচনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে (খুলনা, রাজশাহী, রংপুর) ভালো সমর্থন পেয়েছে।

আপাতদৃষ্টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা পাচ্ছে বিএনপি, সেই সুবাদে সরকার শুরুতে যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারে এবং নিজেদের খুশিমতো নতুন আইনও প্রণয়ন করতে পারে। তবে এমনটা ভাবা হলেও অর্থনীতির ক্ষেত্রে হোঁচট খেলে বিএনপি সরকার একদিকে জামায়াত এবং অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সুপ্ত জনসমর্থনের চাপের মুখে পড়তে পারে।

কেননা কর্মসংস্থান ও দুর্নীতি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ সহজে মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া তারেক রহমানকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তবে তার রাজনৈতিক সাফল্য নির্ভর করবে অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার ওপর।

বাংলাদেশের অর্থনীতি

বিএনপি ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অর্থাৎ জিডিপির আকার ৪৬০ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে নেওয়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রায় ৯ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, যা বর্তমানে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেশে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। দলটি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু এ ধরনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজনীয় সরকারি রাজস্ব বাড়ানোর কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা এখনো নেই। প্রবৃদ্ধির হার দ্বিগুণের বেশি করতে হলে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করতে হবে।

এদিকে গত দেড় বছর ধরে উচ্চ সুদহার অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শুধু মুদ্রানীতিই নয়; বরং বণ্টনব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যাই উচ্চ খাদ্যমূল্যের প্রধান কারণ। এটিই তারেক রহমান সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অর্থনীতির ১২ শতাংশ অবদান রাখে কৃষি যেখানে প্রায় ৫ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত (কর্মসংস্থানের ৪৪ শতাংশ)। শহরাঞ্চলে খাদ্যের দাম কমাতে এবং দুর্ভোগে থাকা কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে; খামার থেকে শহর পর্যন্ত খাদ্য সরবরাহ প্রক্রিয়ায় জড়িত শক্তিশালী ও অনিয়ন্ত্রিত মধ্যস্বত্বভোগীদের দমনে কাজ করতে হবে । সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে ফসল কাটার পরবর্তী লজিস্টিক খাতেও বিনিয়োগ করতে হবে।

প্রবাসী কর্মীদের রেমিট্যান্স বা রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয় টাইমস ম্যাগাজিনের এই প্রতিবেদনে। যেখানে প্রবাসাী আয়কে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) যেকোনো প্রোগ্রামের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে বিবেচনা করা হয়। প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি বিদেশে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করেন। তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় আইএমএফের চেয়েও বেশি ভূমিকা রাখছেন। মাত্র তিন মাসে তারা প্রায় ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশটির জন্য দেওয়া আইএমএফের পুরো সহায়তা প্যাকেজের সমান।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক প্রবাসীকর্মী অবৈধ হুন্ডি চ্যানেলের পরিবর্তে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে যোগ দেন । এর ফল ছিল নাটকীয় রেমিট্যান্স। ২০২৩ সালের ২১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তুলনা করলে দেখা যায়, এই ৯ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি আমেরিকান বাজারে বাংলাদেশের মোট বার্ষিক পোশাক রপ্তানির চেয়েও বেশি। যদি অবৈধ চ্যানেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়, তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ হারাতে পারে।

প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি চাকরির জন্য বিদেশে যান। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তার পথ, কারণ প্রতি বছর ২০ লাখ নতুন কর্মপ্রত্যাশী তৈরি হলেও দেশটির অর্থনীতি পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে না । দুর্ভাগ্যবশত, শ্রম রপ্তানি খাতে তীব্র দুর্নীতি ও শোষণ বিদ্যমান। বেশ কিছু দেশ এরই মধ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে, যা নতুন সুযোগের জন্য দেশটিকে বিপজ্জনকভাবে সৌদি আরবের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন বিষয়ক একটি প্রতিবেদনের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খান আহমেদ সাঈদ মুরশিদ। তিনি দেশে সামগ্রিক সংস্কারের বিষয়ে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিএনপির উচিত বড় পরিকল্পনা মাথায় রাখা, তবে জরুরি বাস্তবায়নের জন্য ‘উচ্চ-প্রভাবশালী ছোট ছোট প্রকল্পের দিকেও দৃষ্টি রাখা। নতুন প্রশাসনকে অবশ্যই শিল্পের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক খাত মেরামত করতে হবে।’

তার মতে, ‘সব কিছুর ওপরে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে ২০২৬ সালের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, যার ফলে বাংলাদেশ সেই বাণিজ্যিক সুবিধাগুলো হারাবে, যার ওপর রপ্তানিকারকরা এখনও নির্ভরশীল।’

ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক

অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন একটি দেশের ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের সাথে জড়িত। টাইমস ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে তারেক রহমানের প্রাথমিক পদক্ষেপের অগ্রাধিকারে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। নির্বাচনি ইশতেহারে বিএনপি আসিয়ানে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সামনে প্রথম উপস্থিত হয়ে তারেক রহমান সার্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা ১৯৮০ সালে তার বাবা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। সার্ক বর্তমানে একটি অকার্যকর আঞ্চলিক সংস্থা। গত বছর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সঙ্গে উপমহাদেশের সার্বিক আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যও অন্যতম অনুঘটক।

অপরদিকে আসিয়ান সদস্য দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে আছে বাংলাদেশের সীমান্ত। মিয়ানমার থেকে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এখনও বাংলাদেশে রয়েছে, যার কোনো সমাধান এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। আসিয়ানে যোগ দিলে বাংলাদেশ বৈচিত্র্যময় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ পাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত থাকলেও ২০২৪ সালে হাসিনার পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে। হাসিনা ভারতে পালিয়ে যায় এবং তাকে বিচারের জন্য হস্তান্তরে দিল্লির অস্বীকৃতি ঢাকায় তীব্র সমালোচনারও জন্ম দেয়। বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে দুই দেশের মধ্যে কার্যত ভিসা কার্যক্রমও এখন স্থগিত। ক্রীড়াক্ষেত্রেও ভালো সম্পর্কের অবনতি দেখা গেছে।

এই প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতি ব্যাপক ক্ষোভ ও অবিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিএনপিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পা বাড়াতে হবে। অন্যদিকে অবকাঠামো বা নতুন শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা ভারতের অত্যন্ত কম। দিল্লির বিরুদ্ধে একপেশে চুক্তি চাপিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ আছে, বিশেষ করে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি। এই গ্রুপটির সঙ্গে ভারত সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে এবং তারা বাংলাদেশের ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

দিল্লির উচিত হবে আমদানির ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো অথবা ভাটির দেশ বাংলাদেশের দিকে পানির ন্যায্য প্রবাহে একমত হওয়া। এই ফ্রন্টগুলোর কোনোটিতেই দিল্লির নমনীয় হওয়ার সম্ভাবনা কম হওয়ায় ভবিষ্যতে দুই দেশের যেকোনো সমঝোতা সীমিত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক পরিসরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, যাদের সঙ্গে বার্ষিক প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আছে। বেইজিং ঢাকার প্রধান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহকারীও বটে। সম্প্রতি দুই দেশ বাংলাদেশে একটি ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপনের চুক্তি করেছে। বেইজিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ২৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির একক বৃহত্তম বাজার এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে তারা শীর্ষে আছে। জাতীয় নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, তিনি নতুন সরকারের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ‘ঝুঁকিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।’ তার এ বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বেইজিংয়ে।

ক্রিস্টেনসেন ইঙ্গিত দেন, ওয়াশিংটন সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যে ‘সুযোগ-সুবিধা’ অফার করে থাকে, তার ওপর জোর দেবে। তিনি আরও বলেন, মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার যে বিনিয়োগবান্ধব, সে বিষয়ে তারেক রহমান সরকারের সুস্পষ্ট ইঙ্গিতের অপেক্ষায় আছেন তারা।

দেশের অভিজাত শ্রেণির রাজনৈতিক ঝোঁক কিছুটা পশ্চিমাকেন্দ্রিক হলেও তারা জানেন যে, অবকাঠামো বিনিয়োগ মূলত এশিয়া থেকেই এসেছে। জাপান ও চীন সেতু, বন্দর ও রেলপথ নির্মাণে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বেইজিং নদীর পানি সঞ্চয় করে সেচ কাজে সহায়তার জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্পে অর্থায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। গত বছর ১৪৩টি চীনা কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে গেলেও তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

চীনারা অপেক্ষায় আছে তারেক রহমান সরকারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার। তিনি যদি ওয়াশিংটনকে ‘সুস্পষ্ট সংকেত’ দেন, তবে আমেরিকান ব্যবসায়ীদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে চীনা বিনিয়োগের জন্য তারেক রহমান বেইজিং সফরে যেতে হতে পারে।

তারেক রহমানে জন্য চ্যালেঞ্জগুলি তাৎপর্যপূর্ণ কিন্তু অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার এবং বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনার সুযোগ রয়েছে।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
হেলিকপ্টারের মতো যেকোনো জায়গা থেকে উঠানামা করতে পারা বিমান X-76 তৈরির কাজ শুরু
হেলিকপ্টারের মতো যেকোনো জায়গা থেকে উঠানামা করতে পারা বিমান X-76 তৈরির কাজ শুরু
মার্কিন গবেষণা সংস্থা DARPA একটি নতুন পরীক্ষামূলক বিমান X-76 তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই বিমানটির লক্ষ্য হলো জেট বিমানের গতি ...
অনলাইনে সরকারি নিলামে গাড়ি কেনার পদ্ধতি
অনলাইনে সরকারি নিলামে গাড়ি কেনার পদ্ধতি
মাত্র ১ হাজার টাকায়ও একটি মটর বাইক কিনা সম্ভব! এটা শুধুমাত্র সরকারী নিলামেই সম্ভব। এর জন্য কোন লাইসেন্স লাগবে না। ...
হামলার নিশানায় তেল স্থাপনা: বিশ্ব জুড়ে হুমকিতে জ্বালানি অর্থনীতি
হামলার নিশানায় তেল স্থাপনা: বিশ্ব জুড়ে হুমকিতে জ্বালানি অর্থনীতি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে তেল অবকাঠামো এখন সরাসরি যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গত কয়েকদিনে ইরানের তেল সংরক্ষণাগার ও পরিশোধনাগার লক্ষ্য ...
ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪৭ ডলার ছাড়াতে পারে
ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪৭ ডলার ছাড়াতে পারে
মার্চ মাসজুড়ে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০০৮ ও ২০২২ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে ...
ভ্যাট ফাঁকির নতুন কৌশল ‘শূন্য রিটার্ন’, গোয়েন্দা জালে ৯৫৩ প্রতিষ্ঠান
ভ্যাট ফাঁকির নতুন কৌশল ‘শূন্য রিটার্ন’, গোয়েন্দা জালে ৯৫৩ প্রতিষ্ঠান
কর ছাড়ের বড় সুবিধা পাওয়ার পরও বছরের পর বছর ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার এক অভিনব কৌশল উন্মোচন করেছে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ...
চাহিদা বাড়ায় জ্বালানি তেলে রেশনিং, মজুত আছে কত দিনের?
চাহিদা বাড়ায় জ্বালানি তেলে রেশনিং, মজুত আছে কত দিনের?
বাংলাদেশে দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ১৪ হাজার টন। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার টন, পেট্রোলের চাহিদা ১২০০ টন ...
"মাহে রমজান হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উত্তম মাধ্যম"
"মাহে রমজান হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উত্তম মাধ্যম"
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, মাহে রমজান হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উত্তম মাধ্যম। এ মাস ...
আমি খুব জেদি আর বোকা ছিলাম : কাজল
আমি খুব জেদি আর বোকা ছিলাম : কাজল
বলিউডের পর্দায় তিনি বরাবরই সপ্রতিভ, চঞ্চল আর আত্মবিশ্বাসী। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে মোটেও এমন ছিলেন না অভিনেত্রী কাজল। বরং নিজেকে ...
ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল
ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল। আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এরই ...
১০
খুলনায় ‘মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে’ নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
খুলনায় ‘মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে’ নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
খুলনায় এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার নগরের সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় ...
 
ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো?
ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো?
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার ঊর্ধ্বে; এটি মূলত জনগণের আমানত। সেই আমানত যখন কোনো বিশেষ ব্যক্তির ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি রক্ষা বা ব্যবসায়িক ...
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ: জ্বালানির মজুত শেষ হলে কী করবে বাংলাদেশ?
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ: জ্বালানির মজুত শেষ হলে কী করবে বাংলাদেশ?
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক উত্তেজনা বিশ্বের জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর সরাসরি প্রভাব ...
পঞ্চগড় জেলা সমিতি ঢাকার আয়োজনে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
পঞ্চগড় জেলা সমিতি ঢাকার আয়োজনে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি কমিউনিটি হল-২, (২য় তলা) মিলনায়তনে ঢাকায় অবস্থানরত পঞ্চগড় জেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ইফতার মাহফিল ...
হামিমকে ছাত্রদল থেকে সাময়িক অব্যাহতি
হামিমকে ছাত্রদল থেকে সাময়িক অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অধীনস্থ কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিমকে সাংগঠনিক পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া ...
ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের সদরদপ্তরে হামলা
ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের সদরদপ্তরে হামলা
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র ...
মোমেন কমিশনেরও আকস্মিক পতন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি!
মোমেন কমিশনেরও আকস্মিক পতন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি!
সাবেক ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’ বিলুপ্ত করে ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে জন্ম নিয়েছিল ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’ (দুদক)। ...
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারী শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠ
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারী শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠ
আজ ৮ মার্চ, শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানী মিরপুরস্থ টেকনিক্যালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার ও গ্রীণ ...
বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের ...
দেশের সব সরকারি পরিত্যক্ত ভবন চিকিৎসাকেন্দ্র করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের সব সরকারি পরিত্যক্ত ভবন চিকিৎসাকেন্দ্র করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশনা ...
১০
নির্বাচন পরবর্তী মিয়ানমারঃ রাখাইন পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সমস্যা
নির্বাচন পরবর্তী মিয়ানমারঃ রাখাইন পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সমস্যা
চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই তিন ধাপে মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রথম ধাপের নির্বাচন শুরু ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com