|
খুলনায় ‘মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে’ নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
নতুন বার্তা, খুলনা :
|
খুলনায় এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার নগরের সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক ও তাঁর সহযোগী পলাতক রয়েছেন। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার হওয়া নারী এক কন্যাসন্তানের জননী। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধু সায়মনের সঙ্গে ভিকটিম নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে বন্ধুর কাছে পাওনা ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবেন বলে ওই বন্ধু ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান তাঁকে। পরে ভিকটিমকে সেখানে রেখে সায়মন নিচে চলে যান। এরপর রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও বন্ধুর কথিক চাচা পঙ্কজ শিকদার ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। অনিমেষ আরও জানান, ধর্ষণ শেষে ওই নারীকে গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে ওই দুজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নারীর কাছে থাকা মোবাইল দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানালে থানায় এসে পুলিশকে জানান। পুলিশ ওই নারীর সন্ধানে সোনাডাঙ্গা থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সামনে যায়। নিরাময় কেন্দ্রের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে। অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার নারীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরে তাঁকে স্বামীর হেফাজতে দেওয়া হয়। জানতে চাইলে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তাঁদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আজ রাতে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহায়ক ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মলয় ভুষণ চক্রবর্তী ও ডেপুটি ডিরেক্টর এসকে ইফতেখার মোহাম্মাদ ইমায়ের ঘটনা সম্পর্কে জানতে উপস্থিত হন সেখানে। |