/ মতামত / স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অনিয়ম মানবতার লঙ্ঘন
স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অনিয়ম মানবতার লঙ্ঘন
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Tuesday, 16 June, 2026 at 3:11 PM
স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অনিয়ম মানবতার লঙ্ঘনযেকোন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো এই স্বাস্থ্য খাত। বলা হয়ে থাকে, কোনো দেশে স্বাস্থ্যের দিক থেকে মানুষের অবস্থার উন্নতি দেখা গেলে বোঝা যায় সে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ভালো অবস্থায় আছে। স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অনেক অর্জন সত্ত্বেও বেশ কিছু সমস্যার কারণে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যেমন ধরুন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে পদ থাকলেও অনেক পদ শূন্য রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা বিনামূল্যে ওষুধ পান, অথচ বহির্বিভাগের রোগীরা প্রধানত এই ধরনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপের কারণে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। রোগীরা সাধারণত উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক পান না, তাই তারা জেলা পর্যায়ের হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালে আসেন। বিপুল সংখ্যক রোগীর ভিড়ের কারণে জেলা পর্যায়ের হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে চিকিৎসার মান উন্নত করা গেলে ওইসব হাসপাতালে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রোগীর মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই উপজেলা, ইউনিয়ন ও কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসার মান নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আশার কথা, বিভিন্ন খাতে আমরা অনেক ইতিবাচক অনেক কিছুই অর্জন করেছি, কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে স্বাস্থ্য খাতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই স্বাস্থ্য খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এখন দরকার সঠিক ব্যবস্থাপনা। তাছাড়াও চিকিৎসকের ফি, রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ, ক্রমাগতভাবে দাম বাড়তে থাকা ওষুধ ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কেনা-সব মিলিয়ে চিকিৎসার ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। 

সেই সঙ্গে বাড়ছে এক শ্রেণির চিকিৎসক, ওষুধ কম্পানি, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনৈতিক যোগসাজশের কারণে চিকিৎসাসংক্রান্ত খরচের পরিমাণ। ফলে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ চিকিৎসার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের একটি বড় অংশ জরুরি ক্ষেত্রেও চিকিৎসা নিতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও ওষুধ কম্পানির অনৈতিক যোগসাজশ, তার প্রতিক্রিয়ায় ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি এবং চূড়ান্তভাবে রোগীর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টির এক নির্মম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ওষুধ কম্পানিগুলোর আগ্রাসি বিপণন কার্যক্রম ক্রমেই ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। চিকিৎসকরা যাতে নির্দিষ্ট কম্পানির ওষুধ বেশি করে লেখেন সে জন্য কমিশন ও দামি উপহারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আছে বিদেশে সেমিনার-কনফারেন্স বা নিছক ভ্রমণে পাঠানো, ফ্রিজ, টিভি, এসি থেকে শুরু করে গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, এমনকি বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার মতো অনৈতিক লেনদেন। এর ফলে ওষুধ উৎপাদনের খরচ অনেক বেড়ে যায়। তখন ওষুধের দাম ইচ্ছামতো বাড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রয়োজন না থাকলেও চিকিৎসকরা সেসব ওষুধ বা ভিটামিন বেশি করে লিখে দেন। বর্তমানে দেশে দুই শতাধিক কম্পানি দেড় হাজার রাসায়নিক ধরনের বা জিনেরিক নামের অধীনে প্রায় ৩১ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ বিপণন করে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় তালিকাভুক্ত ১১৭টি জিনেরিক নামের ওষুধের দাম ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর নির্ধারণ করে। বাকি সব ওষুধের দাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই নির্ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ন্যূনতম যৌক্তিক অবস্থানে রাখার চেষ্টাও খুব একটা দৃশ্যমান নয়। ফলে ওষুধ কম্পানিগুলো ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করতে পারছে। আর এর শিকার হচ্ছে রোগীরা।ব্যক্তিগত চিকিৎসার ব্যয় কমানোর রাষ্ট্রীয় ঘোষণা সত্ত্বেও দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগীর নিজস্ব ব্যয়। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের তথ্য মতে, ব্যক্তির চিকিৎসা খরচের ৬৪.৬ শতাংশই যায় ওষুধের পেছনে। এদিকে উচ্চ ব্যয়ের কারণে বহু মানুষ চিকিৎসাই নিতে পারছে না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের তথ্য মতে, দেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ গ্যাস্ট্রিক, রক্তচাপ, বাতজ্বর, হাঁপানি ও ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগলেও তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি কোনো ধরনের চিকিৎসাই নেয় না। তার অন্যতম কারণ, ওষুধের অতিরিক্ত দাম। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিদ্যমান অনিয়মগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ওষুধের দাম নির্ধারণে যৌক্তিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। দেশের বেশির ভাগ দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তি মালিকানায় বা বেসরকারিভাবে পরিচালিত হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে সেবার মানসিকতার চেয়ে বড় হয়ে উঠছে মূলত ব্যবসায়িক চিন্তা। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই কিন্তু যখন যেটাতে লাভ সেটা ব্যঙের ছাতার মতো গড়ে উঠতে থাকে। সেটা হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার হতে পারে। সেখানে মান দেখার জন্য কর্তৃপক্ষের যে পরিমাণ জনবল দরকার, তার ঘাটতি আছে, এছাড়া মানুষেরও সচেতনতার অভাব আছে। এমন প্রেক্ষাপটেই ধীরে ধীরে একটা বিশাল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে ব্যবসার অনেক নির্মম উদাহরণ বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেও খবর হয়।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার সব পর্যায়েই ব্যয় অনেক বেশি এবং আইসিইউতে কোন রোগীকে যেতে হলে গুণতে হয় অনেক বেশি টাকা। সেখানে অনেক সময় পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত মৃতদেহ ছাড়া হয় না এবং এমনকি রোগী সুস্থ হওয়ার পরও আইসিইউ থেকে ছাড়া পায় না- এ ধরনের নানা অভিযোগ বিভিন্ন সময় ওঠে। কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

চরম এই অব্যবস্থাপনা, মূলত ব্যবসায়িক চিন্তায় হাসপাতাল ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা-এসব অভিযোগ স্বাস্থ্য সেবার সাথে জড়িতদেরই অনেকে তুলেছেন। সরকারি হাসপাতালগুলোর ব্যাপারে সরকারের নতুন কোন উদ্যোগ নেই। সেকারণে স্বাস্থ্যখাত বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের দখলে চলে গেছে।সরকারি খাতটাকে এখন আর উন্নত করার চেষ্টাই করা হচ্ছে না। বড় বড় হাসপাতাল হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু সিস্টেম অনুযায়ী উন্নত করা হচ্ছে না। সে কারণে প্রাইভেট খাতের হাতে জিম্মি হয়ে গেছে মানুষ। জমিজমা বিক্রি করে হলেও মানুষ প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হচ্ছে। এর মধ্যে দালালদের ব্যাপারত আছেই। তারপর টেস্ট বা ইনভেস্টিগেশন বাইরে থেকে করতে হচ্ছে-ইত্যাদি..অনেক ব্যাপার আছে। সুতরাং বেসরকারি খাতকে ইগনোর করতে পারবেন না। কিন্তু সরকারি বেসরকারি দু'টো খাতেই অনিয়মের চূড়ান্ত অবস্থা। অব্যবস্থাপনা এমন একটি বিষয় যা গত ৫৫ বছরে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ। প্রকৃত অর্থে দেশে এখনো একটি পেশাদার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশের মতো দেশগুলো তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ করার পরামর্শ দিয়েছে। গত ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশেরও কম বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যয় হয় বেতন-ভাতা বাবদ, বাকি অর্থ ব্যয় হয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য, যা খুবই অপর্যাপ্ত। স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ খাতে আর্থিক বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এ খাতকে দুর্নীতিমুক্ত রেখে বর্ধিত বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাই নিয়মিত গবেষণা, সঠিক কর্মপরিকল্পনা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। 

বাংলাদেশের জনগণের সর্বাত্মক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো দূর করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়ন সময়ের প্রয়োজন। চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে দেশের অনেক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের জেনারেল হাসপাতালের মতো চিকিৎসার প্রতিটি পর্যায়ে জনবল সংকটের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।গড় আয়ু বাড়লেও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় দেশের প্রবীণ ব্যক্তিরা জীবনের শেষ ভাগে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই এসব বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় মানবিক মানবিকতা ফিরে আসুক এটাই সবার প্রত্যাশা। 

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য 


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায়, স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায়, স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস
তদন্তে দুর্বলতা ও যথাযথ সাক্ষ্য না থাকায় যশোরের অভয়নগরে ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী আব্দুল্লাহকে খালাস দিয়েছেন ...
সীমান্তে একের পর এক বিস্ফোরণ, ১২ ভারতীয় সেনা হতাহত
সীমান্তে একের পর এক বিস্ফোরণ, ১২ ভারতীয় সেনা হতাহত
গত এক সপ্তাহের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার (এলওসি) কাছে তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ভারতীয় সেনা নিহত এবং ...
তোপের মুখে বিশ্বকাপের মাঝপথেই নিয়ম পাল্টাল ফিফা
তোপের মুখে বিশ্বকাপের মাঝপথেই নিয়ম পাল্টাল ফিফা
কোনো একজন ফুটবলার কথা বলছেন স্প্যানিশ ভাষায়। মুহূর্তেই তাকে থামিয়ে ইংলিশ বলার অনুরোধ করা হচ্ছে। আশরাফ হাকিমি, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ...
১৬ বছর পর সেই ‘জ্বালাময়ী সত্য’ নিয়ে মুখ খুললেন প্রভা
১৬ বছর পর সেই ‘জ্বালাময়ী সত্য’ নিয়ে মুখ খুললেন প্রভা
প্রায় ১৬ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে আসছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। ...
ট্রাম্পের ইরান চুক্তিতে চাপে নেতানিয়াহু, নির্বাচনের আগে কঠিন সমীকরণ
ট্রাম্পের ইরান চুক্তিতে চাপে নেতানিয়াহু, নির্বাচনের আগে কঠিন সমীকরণ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দিতে চেয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু ইরানকে ঘিরে ...
আইসিএসবি’র উদ্যোগে চার্টার্ড সেক্রেটারী দিবস ২০২৬ উদযাপন
আইসিএসবি’র উদ্যোগে চার্টার্ড সেক্রেটারী দিবস ২০২৬ উদযাপন
চার্টার্ড সেক্রেটারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) আজ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে। ১৬ বছর ...
তালার বালিয়াদহে জমজমাট ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
তালার বালিয়াদহে জমজমাট ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরার তালায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকালে মাগুরা ইউনিয়নের বালিয়াদহ কানাইকুড়ি বিলে এই ...
জনগণের পাশাপাশি পুলিশও অনিরাপদ : মোমিন মেহেদী
জনগণের পাশাপাশি পুলিশও অনিরাপদ : মোমিন মেহেদী
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন,  ৫ আগস্টের পর থেকে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি পুলিশও অনিরাপদ। তিনি মোহাম্মদপুরে ওসি ও ...
বিএসএফের পুশইনে সহায়তার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ বাংলাদেশি আটক
বিএসএফের পুশইনে সহায়তার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ বাংলাদেশি আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ’র পুশইনে সহায়তা করার অভিযোগে সাত বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করা হয়েছে। বর্ডার ...
১০
আপনার পছন্দের দল ট্রফি জিতুক বা না জিতুক, অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!
আপনার পছন্দের দল ট্রফি জিতুক বা না জিতুক, অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!
ফুটবল বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আসরকে ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই ফুটবলপ্রেমীদের আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল ...
 
বিশ্বকাপের আমেজে বোদায় ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ফুটবল প্রীতি ম্যাচ
বিশ্বকাপের আমেজে বোদায় ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ফুটবল প্রীতি ম্যাচ
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ সামনে রেখে পঞ্চগড়ের বোদা হাইস্কুল মাঠে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ...
বন্দরে পণ্য খালাসে গতি আনতে বেসরকারি ল্যাবের দ্বার খুলছে
বন্দরে পণ্য খালাসে গতি আনতে বেসরকারি ল্যাবের দ্বার খুলছে
দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। এই বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়। এছাড়া, দেশের ...
আমি জানি না এ নিউজ কোথা থেকে আসল: শিক্ষামন্ত্রী
আমি জানি না এ নিউজ কোথা থেকে আসল: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‎কোনো বিষয়ের অনার্স কোর্স বন্ধ করার পরিকল্পনা শিক্ষা ...
মার্কিন চুক্তি বাতিল না করলে বাজেট হবে আত্মঘাতি : মোমিন মেহেদী
মার্কিন চুক্তি বাতিল না করলে বাজেট হবে আত্মঘাতি : মোমিন মেহেদী
মার্কিন চুক্তি বাতিল না করলে বাজেট হবে আত্মঘাতি বলে মন্তব্য করেছেন চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। ৯ জুন সকালে তোপখানা রোডস্থ বিজয় ...
পাকিস্তানে আধাসামরিক বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত, ৩ জনকে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা
পাকিস্তানে আধাসামরিক বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত, ৩ জনকে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ছয়জন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও তিনজন সদস্যকে জিম্মি ...
অনিয়মের তদন্ত চায় সরকার, চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি বিরোধীদলের
অনিয়মের তদন্ত চায় সরকার, চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি বিরোধীদলের
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিতর্ক মতিঝিল থেকে এবার জাতীয় সংসদে গড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের আনীত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন ...
নতুন পে-স্কেল জুলাই থেকেই, বাজেটে আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
নতুন পে-স্কেল জুলাই থেকেই, বাজেটে আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
আগামী অর্থবছর থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় এ সংক্রান্ত ঘোষণা ...
ভুয়া জরিমানার বার্তায় ক্লিক করলেই বিপদ, সতর্ক করল বিআরটিএ
ভুয়া জরিমানার বার্তায় ক্লিক করলেই বিপদ, সতর্ক করল বিআরটিএ
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জরিমানা পরিশোধের নামে ভুয়া মোবাইল বার্তা (এসএমএস) ও জাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। এসব ...
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ওয়ানডে ক্রিকেটে ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল টাইগাররা। দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ...
১০
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি খুব শীঘ্রই সম্পন্ন হতে পারে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন ইতিবাচক ইঙ্গিতের পর বিশ্ব বাজারে ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com