/ মতামত / ডিজিটাল যুগে সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক সংকট
ডিজিটাল যুগে সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক সংকট
রায়হান আহমেদ তপাদার :
Published : Monday, 8 June, 2026 at 12:06 AM
ডিজিটাল যুগে সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক সংকট যেকোন রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা-এটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অখণ্ড নীতি। এই নিরাপত্তা শুধু শারীরিক সুরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলার স্থিতি, সামাজিক শান্তি, অপরাধ দমন, অর্থনৈতিক কাঠামোর সুরক্ষা এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতা। কিন্তু নিরাপত্তার এই দায়বদ্ধতা যখন নাগরিকের ব্যক্তিগত পরিসর, গোপনীয়তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করে, তখন রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার মধ্যে এক সূক্ষ্ম অথচ গভীর দ্বন্দ্বের জন্ম হয়। নিরাপত্তা কি সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি, নাকি নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া- এই প্রশ্ন আজ আর তাত্ত্বিক নয়, বাস্তব।ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার এই দ্বন্দ্বকে বহুগুণ তীব্র করেছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সামাজিক মাধ্যম, ক্লাউড অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আইওটি ডিভাইস আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে এমনভাবে পরিবেষ্টিত করেছে যে, নাগরিকের প্রায় প্রতিটি আচরণই এখন তথ্যচিহ্নে রূপান্তরিত হচ্ছে।২০২৬ সালের প্রথম চার মাসের তথ্য নিয়ে প্রকাশিত একাধিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই সময়ে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকার শিশুদের মধ্যে অন্তত ৫৬ জনের বয়স ছিল ১২ বছরের নিচে। তাদের মধ্যে ১৬ জনের বয়স ছয় বছরেরও কম। একই সময়ে ছেলেশিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনাও সামনে এসেছে, যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশিত ঘটনার চেয়ে অনেক বেশি।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বাস্তবতা হলো-অপরাধীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরিচিত কেউ নয়। প্রতিবেশী, আত্মীয়, শিক্ষক, পরিবহনকর্মী, মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক কিংবা পরিবারের পরিচিত মানুষই বহু ঘটনায় অভিযুক্ত। ফলে শিশুদের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে সেই জায়গাগুলোই, যে জায়গা শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হওয়ার কথা ছিল। শিশু নির্যাতনের আলোচনায় সাধারণত বাইরের অপরিচিত মানুষকে ভয় হিসেবে তুলে ধরা হয়।

কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণ বলছে, শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি প্রায়ই পরিচিত সামাজিক পরিসরের ভেতরে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের বহু ঘটনায় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর পরিচিত ব্যক্তি-যেমন প্রতিবেশী, আত্মীয়, শিক্ষক বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কেউ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিচিত মানুষের হাতে নির্যাতন শিশুর মানসিক নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে ভেঙে দেয়। এ পরিস্থিতিতে পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তায় ভুগছে, কারণ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার কাঠামো এখনো দুর্বল। বাংলাদেশে অধিকাংশ শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক শিশুদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিরোধ ও জবাবদিহি ব্যবস্থা কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে বাংলাদেশে শিশু যৌন নির্যাতনের আলোচনায় ছেলেশিশুরা প্রায় উপেক্ষিত। যদিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে ছেলেশিশু নির্যাতনের ঘটনা উঠে এসেছে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক ধারণার কারণে অনেক পরিবার ছেলেশিশুকে ভুক্তভোগী হিসেবে মানতে চায় না, ফলে নির্যাতনের ঘটনা গোপন থেকে যায়। এই নীরবতা অপরাধীদের উৎসাহিত করে এবং সামাজিক প্রতিরোধ দুর্বল করে। আন্তর্জাতিক গবেষণাতেও দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় ছেলেশিশু যৌন নির্যাতনের অনেক ঘটনাই আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট হয় না।ছয় বছরের নিচের শিশুও রক্ষা পাচ্ছে না। বাংলাদেশে শিশু যৌন সহিংসতার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো ভুক্তভোগীদের বয়স ক্রমেই কমে আসা। মানবাধিকার সংস্থার তথ্যে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসেই ছয় বছরের নিচে অন্তত ১৬ শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত ছোট শিশুরা কী ঘটেছে তা বুঝতে বা জানাতে পারে না, আর অপরাধীরা এই অসহায়তাকে কাজে লাগায়। চিকিৎসক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের সহিংসতায় শিশুরা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমা ও গুরুতর শারীরিক ক্ষতির শিকার হতে পারে।

বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ মনে করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে স্কুল, মাদ্রাসা, কোচিং ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিশু যৌন নির্যাতনের বহু অভিযোগ সামনে এসেছে। বিভিন্ন ঘটনায় শিক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক বা সিনিয়র শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতিমালা, গোপন অভিযোগ ব্যবস্থা ও কাউন্সেলিংয়ের অভাব রয়েছে। ক্ষমতার সম্পর্ক ও সামাজিক সম্মান রক্ষার মানসিকতার কারণে অনেক শিশু ও পরিবার অভিযোগ প্রকাশ করতে ভয় পায়, ফলে বহু ঘটনা আড়ালেই থেকে যায়।আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল তদন্ত ও সামাজিক চাপের কারণে অনেক পরিবার ন্যায়বিচার পায় না। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এসব মামলায় দণ্ডের হার এখনো কম, যা অপরাধীদের শাস্তি এড়িয়ে যাওয়ার বার্তা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচারহীনতা ভবিষ্যতের অপরাধ বাড়ায় এবং আইন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়। গ্রামাঞ্চলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার প্রবণতায়ও অনেক শিশু ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। মানবাধিকার কর্মীরা প্রায় সবাই একমত-সংবাদে প্রকাশিত ঘটনাগুলো বাস্তবতার কেবল একটি অংশ। বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলো প্রায়ই সামাজিক লজ্জা, বিয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ, স্থানীয় চাপ কিংবা হুমকির মুখে পড়ে। ফলে বহু ঘটনা কখনো থানায় পৌঁছায় না। বিশেষ করে ছেলেশিশুর ক্ষেত্রে নীরবতা আরও বেশি। অনেক পরিবার মনে করে বিষয়টি প্রকাশ করলে শিশুর সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, বাংলাদেশে এখনো শিশু যৌন সহিংসতার কেন্দ্রীয় ও স্বচ্ছ ডেটাবেইস গড়ে ওঠেনি। ডিজিটাল যুগে অনলাইন গ্রুমিং, ব্ল্যাকমেইল ও পর্নোগ্রাফি ডিজিটাল প্রযুক্তি শিশুদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও একই সঙ্গে তৈরি করেছে নতুন ধরনের সহিংসতা। 

সাইবার অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে শিশুদের টার্গেট করা হচ্ছে। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে আবেগিক সম্পর্ক, এরপর ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করে ব্ল্যাকমেইল-এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। ডিপফেক প্রযুক্তি পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। বিশেষ করে কিশোরীদের ছবি ব্যবহার করে ভুয়া আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি করার অভিযোগ বাড়ছে। বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা এখনো সীমিত। অধিকাংশ পরিবার জানেই না, তাদের সন্তান অনলাইনে কী ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে।সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, এটা বৃহত্তর সামাজিক সহিংসতার অংশ। যে সমাজে ক্ষমতার অপব্যবহার, নারীবিদ্বেষ, সহিংস ভাষা ও দুর্বল মানুষের প্রতি নির্যাতন স্বাভাবিক হয়ে যায়, সেখানে শিশুরাও নিরাপদ থাকে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্নোগ্রাফির অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার, মাদক, সামাজিক অসহিষ্ণুতা, পারিবারিক সহিংসতা এবং বিকৃত পৌরুষবোধ-সব মিলিয়ে একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিশুর প্রতি সহিংসতা আসলে সমাজের গভীর নৈতিক সংকটের প্রতিফলন। শিশু সুরক্ষা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র, গণমাধ্যম-সবাইকে এখানে ভূমিকা নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু কঠোর শাস্তি দিয়ে এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। একটি সমাজকে বিচার করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হলো-সেখানে শিশুরা কতটা নিরাপদ। আর যে দেশে শিশুরা ভয় নিয়ে বড় হয়, সেই সমাজের ভবিষ্যৎও কখনো সত্যিকার অর্থে নিরাপদ হতে পারে না। গণতন্ত্রের মূলনীতি হলো সীমা আরোপ। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সীমাহীন নয়; তা নাগরিকের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বাধ্য। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, কিন্তু তা কখনও নাগরিকের মৌলিক অধিকার হ্রাসের বিনিময়ে হতে পারে না। ডিজিটাল যুগে প্রশ্নটি প্রযুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্রের চরিত্রের। আমরা কি এমন রাষ্ট্র চাই, যেখানে নিরাপত্তা আছে কিন্তু স্বাধীনতার নিশ্বাস রুদ্ধ? নাকি এমন রাষ্ট্র, যেখানে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা পরস্পরবিরোধী নয়, বরং ভারসাম্যপূর্ণ? 

সত্যিকারের ন্যায়রাষ্ট্র সেই রাষ্ট্র, যা নাগরিককে নিরাপদ রাখে, কিন্তু তার মর্যাদা, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিত্ব অক্ষুণ্ন রাখে। ডিজিটাল নজরদারির যুগে এই ভারসাম্য রক্ষা করাই সভ্য রাষ্ট্রের প্রকৃত পরীক্ষা।একটি সভ্য সমাজের মূল্যায়ন অনেকাংশে নির্ভর করে তারা তাদের শিশুদের কতটা নিরাপদ রাখতে পারছে তার উপর। শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডকে শুধুমাত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখলে সমস্যার গভীরতা বোঝা যায় না; এগুলো সমাজের নৈতিক স্বাস্থ্য, পারিবারিক কাঠামো, প্রযুক্তি ব্যবহারের সংস্কৃতি এবং ক্ষমতার সম্পর্কের প্রতিফলন। তাই সমাধানও হতে হবে বহুমাত্রিক-আইন, শিক্ষা, পরিবার, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক সচেতনতার সমন্বয়ে। শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেবল রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি পরিবারের, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের, প্রতিটি প্রতিবেশীর এবং সামগ্রিকভাবে পুরো সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। কারণ শিশুদের রক্ষা করা মানে কেবল বর্তমানকে নয়, ভবিষ্যৎকেও রক্ষা করা।

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


 
মানবতার শ্রেষ্ঠ বংশধারা: নবী পরিবারসহ আদম (আ.) পর্যন্ত বংশস্তর
মানবতার শ্রেষ্ঠ বংশধারা: নবী পরিবারসহ আদম (আ.) পর্যন্ত বংশস্তর
মানব ইতিহাসে অসংখ্য মহান ব্যক্তি, রাজা, দার্শনিক ও সংস্কারকের আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু প্রভাব, মর্যাদা, চরিত্র, নেতৃত্ব এবং মানবকল্যাণে অবদানের বিচারে ...
মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরান ফুটবল দল
মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরান ফুটবল দল
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল। চলতি মাসের শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রুপ পর্বের তিনটি ...
জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নয় : দুর্নীতি কমাতে হবে !
জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নয় : দুর্নীতি কমাতে হবে !
তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে গণদাবি উপেক্ষা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার বৃদ্ধির পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৫ ...
নাসির-তামিমা মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে আগাম আত্মবিশ্বাস
নাসির-তামিমা মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে আগাম আত্মবিশ্বাস
ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বহুল আলোচিত মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে আগামী ১০ ...
ডিজিটাল যুগে সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক সংকট
ডিজিটাল যুগে সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক সংকট
যেকোন রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা-এটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অখণ্ড নীতি। এই নিরাপত্তা শুধু শারীরিক সুরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ ...
লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও, পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড
লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও, পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত মো. জোবায়ের (১৮) চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। তার লাশ নিয়ে বন্দর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে ...
রাষ্ট্রহীন সীমান্তবর্তী শূন্যরেখায় ৩ দিন ধরে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনের অবস্থান, বিএসএফ বলছে ফিরিয়ে নেবে না
রাষ্ট্রহীন সীমান্তবর্তী শূন্যরেখায় ৩ দিন ধরে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনের অবস্থান, বিএসএফ বলছে ফিরিয়ে নেবে না
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে গত শুক্রবার ভোরে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা ...
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নারী, শিশু ও পরিবারসহ বহু মানুষকে বাংলাদেশি সন্দেহে জোরপূর্বক সীমান্তের শূন্যরেখার দিকে ঠেলে দিচ্ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী ...
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এতে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে ...
১০
ঢাকা বিভাগে শ্রেষ্ঠ টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক
ঢাকা বিভাগে শ্রেষ্ঠ টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক
প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ এর ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার জেলা প্রশাসক শরীফা হক । ...
 
অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আয়োজনে প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট
অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আয়োজনে প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারীতে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভোটমারী স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আয়োজনে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।ভোটমারী স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন ...
ঈদে ৮ দিন বন্ধ থাকবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন চালু
ঈদে ৮ দিন বন্ধ থাকবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন চালু
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে আমদানী রফতানীসহ সকল কার্যক্রম টানা ৮ দিন বন্ধ থাকবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শুল্ক স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর। ...
সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা, সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত সদস্যসহ গ্রেফতার ২
সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা, সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত সদস্যসহ গ্রেফতার ২
সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার অভিযোগে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত এক সদস্যকে গ্রেফতার ...
কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? জানুন দূর করার ঘরোয়া উপায়
কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? জানুন দূর করার ঘরোয়া উপায়
কোষ্ঠকাঠিন্য এখন খুব সাধারণ একটি সমস্যা, যা অনিয়মিত খাবার, কম পানি পান, ব্যস্ত জীবনযাপন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে দেখা দেয়। ...
কুরবানির চামড়া নিয়ে এবারও বিপর্যয়ের শঙ্কা
কুরবানির চামড়া নিয়ে এবারও বিপর্যয়ের শঙ্কা
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী চামড়াশিল্প এখন খাদের কিনারে। কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে যে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ আবর্তিত হতো, ...
৬ জেলায় সড়কে ঝরল ২৭ প্রাণ
৬ জেলায় সড়কে ঝরল ২৭ প্রাণ
দেশের ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই প্রাণহানির ...
ঈদের ছুটিতে চোরের নজরে ফাঁকা বাসা
ঈদের ছুটিতে চোরের নজরে ফাঁকা বাসা
ঈদুল আজহা ঘিরে ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা। নগর জীবনের যান্ত্রিকতা একপাশে রেখে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ...
কলকাতায় আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
কলকাতায় আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। এ ঘটনায় ...
বাজেট বৃদ্দির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বাজেট বৃদ্দির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা, জীবাশ্ম জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য ...
১০
কালিহাতীতে বিদ্যুৎ লাইনে বাঁশের খুঁটি ভেঙ্গে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৫টি গরুর মৃত্যু
কালিহাতীতে বিদ্যুৎ লাইনে বাঁশের খুঁটি ভেঙ্গে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৫টি গরুর মৃত্যু
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ফসলি জমির মাঠে বিদ্যুৎ লাইনের বাঁশের খুঁটি ভেঙে পড়ে থাকা তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচটি গরু মৃত্যু হয়েছে।বুধবার ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com