|
কমলাপুরে দেরিতে ছাড়ছে ট্রেন, রাতে ভোগান্তিতে যাত্রীরা
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যায়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।নির্ধারিত সময়ে ট্রেন না ছাড়ায় শুক্রবার (৫ জুন) রাতে স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টেশনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি যাত্রীর সমাগম। ট্রেন ছাড়তে বিলম্বের কারণে প্ল্যাটফর্মে ভিড় আরও বেড়েছে। অনেক যাত্রীকে মেঝেতে বসে কিংবা দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ডিজিটাল স্ক্রিনবোর্ডে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস রাত ৮টায় ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে রাত ১০টা ৪০ মিনিট। দ্রুতযান এক্সপ্রেস রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় দেওয়া রয়েছে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে। তবে কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া সময়েও ট্রেনগুলো স্টেশন ছাড়তে পারেনি৷ পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাত সাড়ে ১১টায় স্টেশন ছাড়ার কথা৷ সাধারণ সময়ে রাত ১০টার পরই ট্রেনটি কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। তবে এদিন রাত সাড়ে ১০টায়ও ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়ায়নি। কুড়িগ্রামগামী এক যাত্রী বলেন, ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল রাত ৮টায়। রাত বাজে ১০টা। দুই ঘণ্টা পার হলেও ট্রেনের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করতে কষ্ট হচ্ছে। অন্য এক যাত্রী জানান, তিনি ঈদে ডিউটি করেছেন। এখন ছুটি পেয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ি যাচ্ছেন। কিন্তু ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে তাকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের যাত্রী মাসুম খান বলেন, আমাদের ট্রেন রাত সাড়ে ১১টায় ছাড়ার কথা। এখন দেখছি সব ট্রেনই দেরিতে ছাড়ছে৷ আমাদের ট্রেনটি এখনো স্টেশনে আসেনি৷ জানিনা ট্রেন কখন আসবে আর কখন ছাড়বে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হওয়ায় সময়সূচিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। ট্রেনগুলোর চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন, অন্যদিনের তুলনায় আজ যাত্রীর চাপ বেশি৷ কিছু ট্রেন বিলম্বে স্টেশনে আসছে। এজন্য ছেড়ে যেতেও দেরি হচ্ছে। বিলম্বের অন্য কোনো কারণ নেই। |