|
রামিসা হত্যা মামলার বিচার দীর্ঘায়িত করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে আসামিরা: ডিএমপি কমিশনার
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা:
|
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার শুরুর পর নতুন করে সামনে এসেছে ‘ডলার’ নামে এক ব্যক্তির প্রসঙ্গ। প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করলেও বিষয়টিকে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার কৌশল হিসেবে দেখছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, তদন্তে চার্জশিটভুক্ত আসামিদের বাইরে অন্য কারও সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে 'মে মাসে জননিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্য' নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামিরা অন্য ব্যক্তির নাম বলার চেষ্টা করছে। আমাদের ধারণা, বিচার প্রক্রিয়াকে প্রলম্বিত করার উদ্দেশ্যেই তারা এমন কৌশল নিয়েছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের বাইরে আর কারও জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ছিনতাই প্রতিরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, এআই ক্যামেরা, ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরির ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, সচিবালয়ে রেড টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় জড়িত একজন আউটসোর্সিং কর্মী ও একটি ভাঙারি দোকানের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় আট কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীতে এআইভিত্তিক ট্রাফিক নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। বর্তমানে রাজধানীর ৫৭টি পয়েন্টে ৭০টি এআই ক্যামেরা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে পুলিশসহ সরকারি গাড়ির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অটোরিকশা প্রধান সড়কে চলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ডাম্পিং করা হচ্ছে। |