/ মতামত / যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ট্রাম্পের পরাজয়
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ট্রাম্পের পরাজয়
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Sunday, 8 November, 2026 at 12:31 AM
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ট্রাম্পের পরাজয়যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব কমার ইঙ্গিত ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা যেমন বাড়ছে, তেমনি জনমত জরিপেও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার নিম্নমুখী চিত্র উঠে আসছে। ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে ভালো ফল করলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়বে। কিন্তু নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ই কি ট্রাম্প-যুগের অবসান ঘটাবে? নাকি ক্ষমতা ছাড়ার পরও তাঁর রেখে যাওয়া রাজনৈতিক বিভাজন ও নীতির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘদিন বয়ে বেড়াতে হবে? যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যাওয়ার আগে রিপাবলিকানদের জন্য পূর্বাভাসগুলো এতটাই হতাশাজনক ছিল যে মতামত জরিপ পর্যবেক্ষণকারীরা একপ্রকার রসিকতা শুরু করেছিলেন-এই ফলাফলের অর্থ হবে হয় ট্রাম্প-যুগের অবসান, না হয় জরিপ ব্যবস্থার অবসান। এমন পূর্বাভাসের মধ্যে রিপাবলিকানদের যেকোনো জয়কেই এক অলৌকিক ঘটনা বলে মনে হতো। প্রত্যাশা ছিল ডেমোক্র্যাটরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবে; আর রিপাবলিকানরা ভেবেছিল যে মূল গণনা কিছুটা মিশ্র হলেও তারা অন্তত দাবি করার সুযোগ পাবে যে সবাই যতটা খারাপ ভেবেছিল তারা ততটা খারাপ করেনি। তবে আজকে আর সেই দাবিগুলোর মূল্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ভোটাররা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রতি অসন্তোষের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন এবং তাঁর ক্ষমতা খর্ব করার পক্ষে একচ্ছত্র রায় দিয়েছেন। 

এখন সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবেন, তাদের নিজস্ব এজেন্ডাগুলোকে প্রকাশ্যে আনতে পারবেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক অধিকার বজায় রাখতে পারবেন এবং রিপাবলিকানদের বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকে দিতে পারবেন। আগামী দিন এবং সপ্তাহগুলোয় ট্রাম্প কখনো বলবেন যে রিপাবলিকানদের এই পরাজয় আসলে ভুয়া-এটি ডেমোক্র্যাট এবং অবৈধ অভিবাসীদের এক গোপন চক্রান্তের ফল। আবার কখনো বলবেন পরাজয় সত্যি, তবে দোষটা অন্য কারও। তাঁর প্রশাসন গত কয়েক সপ্তাহে ইঙ্গিত দিয়েছে যে বিশেষ করে আলাস্কার মতো তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিনেট আসনগুলোর ফলাফল প্রত্যয়ন বন্ধ করার চেষ্টা করা হতে পারে। তবে সেই পরিকল্পনার গতি এখন হয়তো অনেকটাই থেমে গেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, তিনি এই মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন। এটি নিশ্চিত যে তিনি মাইকের সামনে চিৎকার করবেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় অক্ষরের লেখা দিয়ে রাগ প্রকাশ করবেন। কিন্তু এতে বিশেষ কোনো লাভ হবে না। কারণ, ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত জয়ের ঠিক ১০ বছর পর-ট্রাম্প যুগের কার্যকর অবসান ঘটেছে। আগামী দুই বছর গত দুই বছরের মতো একেবারেই হবে না। ক্ষমতায় ফেরার প্রথম কয়েক মাসে, যখন তার নিয়ন্ত্রণে ছিল একচ্ছত্র সরকার এবং বলা হচ্ছিল যে ব্যাপক সামাজিক অসন্তোষ ও ‘অ্যান্টি-ওক’ ভাবাবেগের ওপর ভর করে তিনি ২০২৪ সালে আবার ক্ষমতায় এসেছেন, তখন মনে হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো আমেরিকায় একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা জোরদার করতে সফল হবেন। 

ট্রাম্প সরকারি প্রশাসনিক কাঠামো ঢেলে সাজিয়েছিলেন, শত শত চাকরি বিলুপ্ত করেছিলেন এবং হাজার হাজার পদ নিজের অনুগত ও অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে পূর্ণ করেছিলেন। তিনি বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিজের সামাজিক এজেন্ডা চাপিয়ে দিয়েছিলেন-যেগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিশোধের ভয়ে তা মেনে নিয়েছিল। তিনি কংগ্রেসের অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো করদাতাদের টাকার পুনর্বিন্যাস করেছিলেন। আর তিনি এই সবকিছু করতে সক্ষম হয়েছিলেন, কারণ তাকে শক্তিশালী মনে হয়েছিল এবং বিরোধী পক্ষকে মনে হয়েছিল দুর্বল। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে মানুষকে তার কথা মেনে চলতে বাধ্য করা যাবে, কারণ অমান্য করলে শাস্তির হুমকি দেওয়ার ক্ষমতা তার ছিল, আর ডেমোক্র্যাটদের তা ঠেকানোর শক্তি ছিল না। এখন সেই ক্ষমতার চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টে গেছে। ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচন এখন কোনো ব্যাপক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন বলে মনে হয় না, বরং তা মূলত মূল্যস্ফীতির মতো বস্তুগত কারণগুলোর ফল ছিল। সেই একই অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণগুলো এখন রিপাবলিকানদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসের উচ্চমূল্য, ভোক্তাদের অসহায়ত্ব, ধারাবাহিক বেকারত্ব এবং চোখে পড়ার মতো বৈষম্য ভোটারদের ক্রুদ্ধ করে তুলেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সমস্যাগুলোর বিষয়ে উদাসীন ও অসচেতন ছিলেন-এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তিনি পরিস্থিতি আরও জটিল করেছেন। ইরানের সঙ্গে তার অপ্রয়োজনীয় ও বেপরোয়া যুদ্ধকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্প ব্যস্ত ছিলেন সরকারি ভবনে নিজের সুবিশাল ব্যানার টাঙাতে, হোয়াইট হাউসকে সোনায় মুড়ে নতুন রূপ দিতে এবং রাজনৈতিক মঞ্চে পুরুষ রাজনীতিবিদদের পিঠ ও পশ্চাদ্দেশ নিয়ে অদ্ভুত সব কটূক্তি করতে। তাঁকে দেখে মনে হয় তিনি একজন অহেতুক ও বাস্তবতা বিচ্ছিন্ন মানুষ, যেন সস্তা পরচুলা পরা মেরি অ্যান্টোয়ানেট। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৭ সালে পদার্পণ করবেন একটি শত্রুভাবাপন্ন কংগ্রেস, লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পাওয়া মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা, তলানিতে ঠেকে যাওয়া জনপ্রিয়তা এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষের বাধ্যবাধকতা নিয়ে। তদুপরি, তিনি নতুন বছরে পা দেবেন এক বিভক্ত জোটের মুখোমুখি হয়ে: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তে তার ভেতরের ঘনিষ্ঠ বলয়ে ফাটল ধরেছে এবং দলের সাধারণ কর্মীদের কাছে তার নির্ভরযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে, যাদের কাছে ২০১৬ সালে তার কোনো নতুন যুদ্ধ নয় প্রতিশ্রুতিটি নব্য রক্ষণশীলদের নীতি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছিল। উচ্চাভিলাষী ও অপেক্ষাকৃত তরুণ রিপাবলিকানরা ক্ষমতার এই দুর্বলতা বুঝতে পারবেন। নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে তারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যেতে শুরু করবেন; আর ট্রাম্পও কিছু ক্ষমতাহীন ও করুণ রাজাদের মতো তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতায় ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের রাজনৈতিক ভিত্তিকে সংগঠিত করার চেষ্টা করবেন। তবে কাউকে নতুন নেতা বানানো বা প্রতিশোধ নেওয়ার তার সেই ক্ষমতা আজকের পর অনেকটাই কমে যাবে। ট্রাম্পের মূলশক্তি ছিল রিপাবলিকান সমর্থকদের ওপর তার অন্ধ প্রভাব-যার কারণে ভোটাররা তাকে চোখ বন্ধ করে অনুসরণ করত। 
কিন্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ব্যবধান যদি কোনো সংকেত হয়, তবে ভোটাররা আর তাকে আগের মতো অনুসরণ করছে না। এসব ঘটনা এমন এক ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে ট্রাম্প হয়তো দৃশ্যপটে থাকবেন না।

কিন্তু ট্রাম্পের অনুসারীদের হাতে যথেষ্ট গতিশীলতা এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরে এতটাই বিশৃঙ্খলা বজায় থাকবে যে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ও ট্রাম্পবাদের জন্য কেবল একটি সাময়িক ধাক্কা হিসেবেই রয়ে যাবে, যা দিয়ে পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার পুনর্বাসন বা নতুন কিছুর সূচনা সম্ভব হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পফাইল ছবি আমরা আগেও এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। সত্যি বলতে, তখন ডেমোক্র্যাটদের জন্য পরিস্থিতি এর চেয়ে বহুগুণ ভালো ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় ঘটেছিল এমন এক প্রেক্ষাপটে, যেখানে জো বাইডেনের মতো এক পরিচিত ও শক্তিশালী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ছিলেন। এই মধ্যবর্তী নির্বাচনগুলো হয়তো ট্রাম্প যুগের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাবে, কিন্তু এরপর যা আসছে তা সম্ভবত দীর্ঘমেয়াদি ট্রাম্প-এরই এক নতুন রূপ: যেখানে রিপাবলিকান পার্টি ট্রাম্পকে ছাড়া পথ চলতে ব্যর্থ, আর ডেমোক্রেটিক পার্টি ট্রাম্পের বিরোধিতা করা ছাড়া নিজস্ব কোনো সুনির্দিষ্ট কিছু খুঁজে পেতে এখনো অসমর্থ। ট্রাম্পের পর রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্ব কার হাতে যাবে, সেই প্রশ্নও ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ধরন অনুকরণ করা সহজ নয়, কিন্তু তাঁর বক্তব্যের ভাষা, সমর্থকদের সংগঠিত করার কৌশল এবং প্রতিষ্ঠানবিরোধী রাজনৈতিক অবস্থান পরবর্তী নেতাদের মধ্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সসহ সম্ভাব্য উত্তরসূরিরা ট্রাম্পের সমর্থকগোষ্ঠীর আস্থা ধরে রাখার চেষ্টা করতে পারেন। ফলে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতির কেন্দ্র থেকে সরে গেলেও তাঁর উত্থানের পেছনে থাকা রাজনৈতিক প্রবণতাগুলো যে মিলিয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সামনে তাই চ্যালেঞ্জ শুধু ট্রাম্পকে নির্বাচনে পরাজিত করা নয়; বরং তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক আস্থা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা করা।

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
১
ফুলবাড়ীতে গীতা পাঠদানের উদ্বোধন
ফুলবাড়ীতে গীতা পাঠদানের উদ্বোধন
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সনাতন কল্যাণ ট্রাস্ট এর বৈদিক শিক্ষা প্রচার কার্যক্রমের আওতায় গীতা পাঠদানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ফুলবাড়ী ...
২
ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদে ৭ ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়নি
ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদে ৭ ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়নি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদে ৭ ই নভেম্বর  জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ...
৩
মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জিটিসি’র উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জিটিসি’র উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জিটিসি’র উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে  দোয়া ও  মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।।গতকাল শনিবার বিকেল ৪ ...
৪
নড়াইলে জাতীয় নারী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
নড়াইলে জাতীয় নারী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
নদীর বুকে বৈঠার ছন্দ, ঢাক-ঢোলের শব্দ আর দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে নড়াইলের আফরা নদী। নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত জাতীয় নারী ...
৫
লোহাগড়ায় মুসা মোল্যার বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
লোহাগড়ায় মুসা মোল্যার বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
নড়াইলের লোহাগড়ায় জমির মালিকানা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় আপন ছোট ভাই মুসা মোল্যার বিরুদ্ধে জাল ...
৫
আগৈলঝাড়ায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
আগৈলঝাড়ায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন ...
৭
শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতেই মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতেই মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবে এসব ...
৮
আত্রাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
আত্রাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
নওগাঁর আত্রাইয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকালে ...
৯
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্কুল ভ্যান উপহার দিয়েছে ঢাকাস্থ জেলা সমিতি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্কুল ভ্যান উপহার দিয়েছে ঢাকাস্থ জেলা সমিতি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি ব্যাটারি চালিত স্কুল ভ্যান উপহার দিয়েছে ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি। শনিবার (৭ নভেম্বর) ...
১০
'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র পৃথক সমাবেশ
'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র পৃথক সমাবেশ
"আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম, চলবে অবিরাম" শ্লোগানে ঐতিহাসিক 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালনে পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। দিবসটি ...
 
১
কালিহাতীতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
কালিহাতীতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মরিচা পাইকপাড়ায় জবেদ আলী ও বিথি আক্তার নাছিমার অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।বৃহস্পতিবার সকালে মরিচা ...
২
রূপপুরের আলো: জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্বনির্ভর অর্থনীতির নতুন দিগন্ত
রূপপুরের আলো: জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্বনির্ভর অর্থনীতির নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ইতিহাসে এক সোনালী অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ও মহাপরিকল্পনার বাস্তব রূপ রূপপুর ...
৩
ডেমাজানী গ্রাম থেকে অস্পৃশ্যতার শিকল ভাঙার লড়াইয়ের বার্তা অবশেষে মন্দিরে প্রবেশের আন্দোলন সফল
ডেমাজানী গ্রাম থেকে অস্পৃশ্যতার শিকল ভাঙার লড়াইয়ের বার্তা অবশেষে মন্দিরে প্রবেশের আন্দোলন সফল
আমার বাড়ি বাংলাদেশের উত্তরের জেলা বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানী গ্রামে। আমাদের গ্রামে আমরাই একমাত্র রবিদাস পরিবার। রবিদাস একটি ঐতিহ্যবাহী জনগোষ্ঠী, ...
৪
ভুট্টা বীজের আসল-নকল প্যাকেট চেনা দায়: প্রতারণা আতঙ্কে চরাঞ্চলের কৃষকরা
ভুট্টা বীজের আসল-নকল প্যাকেট চেনা দায়: প্রতারণা আতঙ্কে চরাঞ্চলের কৃষকরা
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ভুট্টা চাষ। তবে বাজারে আসল ও নকল ভুট্টা বীজের প্যাকেট ...
৫
রৌমারীতে পুলিশের অভিযানে ১৪৬ বোতল বিদেশি মদ সহ ১ আটক
রৌমারীতে পুলিশের অভিযানে ১৪৬ বোতল বিদেশি মদ সহ ১ আটক
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে রাত্রিকালীন মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৪৬ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোঃ জাকির হোসেন (৩৫) নামে ...
৫
স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য: ভিআইপি সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের অধিকার
স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য: ভিআইপি সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের অধিকার
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সমতা, ন্যায়বিচার এবং প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকারের সমান সুরক্ষা। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, বাংলাদেশের ...
৭
সৌদিতে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত ১
সৌদিতে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত ১
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আবার একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতি বিদ্রোহীরা। তবে এবার সেটি রিয়াদের আকাশেই প্রতিহত ...
৮
হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতানিয়াহুকে কেন বাধা দিলেন সৌদি যুবরাজ
হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতানিয়াহুকে কেন বাধা দিলেন সৌদি যুবরাজ
ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরায়েলকে যুক্ত করার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন ...
৯
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদল বৈঠক ...
১০
সংখ্যালঘুদের ইস্যু সমাধানে বাংলাদেশ পদক্ষেপ নেবে: ভারত
সংখ্যালঘুদের ইস্যু সমাধানে বাংলাদেশ পদক্ষেপ নেবে: ভারত
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, হত্যা এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে ভারত। দেশটির প্রত্যাশা, এসব ইস্যুর সমাধান ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com