/ মতামত / এরা নাকি সাংবাদিক
এরা নাকি সাংবাদিক
মীর আব্দুল আলীম:
Published : Thursday, 8 October, 2026 at 12:47 AM
এরা নাকি সাংবাদিকব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম সবখানেই সাংবাদিকতা ছিল সাহসী এক প্রহরীর নাম। কিন্তু আজ সেই প্রহরীর ঘরেই যেন আগুন লেগেছে। সমাজের যে আয়না মানুষের সামনে সত্যের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরার কথা, সেই আয়নাতেই আজ জমেছে অসততা, অপেশাদারিত্ব ও কদর্য স্বার্থপরতার ঘন কাদা।
আজকের বাস্তবতা এমন এক ভয়াবহ অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ‘সাংবাদিক’ পরিচয়টি আর কেবল একটি পেশাগত পরিচয় নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি হয়ে উঠেছে ক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যম, ভয় দেখানোর অস্ত্র কিংবা অপরাধ আড়াল করার এক নিরাপদ ছাতা। চিকিৎসক হতে যেমন ডিগ্রি লাগে, আইনজীবী হতে যেমন সনদ লাগে, রাষ্ট্রীয় চাকরিতে যেমন নিয়োগ কাঠামো রয়েছে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তেমন কোনো কার্যকর ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আজও গড়ে ওঠেনি। ফলে যে কেউ একটি কার্ড, একটি অনলাইন পোর্টাল কিংবা একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেই নিজেকে ‘সাংবাদিক’ দাবি করতে পারছে।
এ পেশায় কে প্রকৃত সংবাদকর্মী আর কে কেবল সুযোগসন্ধানী তা বোঝা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। এই শূন্যতার সুযোগে হাজার হাজার মানুষ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করছে। অনেকের কোনো সংবাদমাধ্যমে ন্যূনতম নিয়মিত কাজের অভিজ্ঞতাও নেই, অথচ তারা পরিচয়পত্র ব্যবহার করছে, সামাজিক প্রভাব বিস্তার করছে এবং প্রশাসনিক সুবিধা আদায় করছে। 
পান দোকানদার থেকে শুরু করে সুইপার,ড্রাইভার, হেলপার,  ব্যবসায়ী, শিল্পপতিথেকে শুরু করে নানা পেশার মানুষ সুবিধা লাভের আশায়  মুহূর্তে একটা প্রেস কার্ড নিয়ে সাংবাদিক বনে যাচ্ছেন। এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হচ্ছেন প্রকৃত সাংবাদিকরা। যারা বছরের পর বছর মাঠে ঘাম ঝরিয়ে সত্য অনুসন্ধান করেছেন, ক্ষমতার রোষানলে পড়েছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন তাদের অবস্থানও আজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ হলো, সাংবাদিকতার পবিত্র পরিচয়কে ব্যবহার করে অপরাধীরা নিজেদের রক্ষা করছে। এই প্রবণতা সমাজে দুটি ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে- প্রথমত, সাংবাদিকতা আর সম্মানের পেশা নয়; দ্বিতীয়ত, এটি ব্যবহার করে আইনকে পাশ কাটানো সম্ভব। যখন একটি পেশার পরিচয় অপরাধের নিরাপদ বর্মে পরিণত হয়, তখন সেই পেশার নৈতিক ভিত্তি ভয়াবহভাবে ধসে পড়ে। অশিক্ষিত ও কুশিক্ষিতদের আগ্রাসনে জ্ঞানচর্চার অবমাননা চলছে প্রতিনিয়ত। 
সাংবাদিকতার মোড়কে প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজির বিস্তার লাভ করেছে গোটা দেশে। এক সময় সাংবাদিকরা ছিলেন সমাজের নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর। কিন্তু আজ এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি সাংবাদিকতার কার্ড ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকেই জিম্মি করছে। গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি পর্যন্ত একটি ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যারা মানুষের ভুলভ্রান্তি খুঁজে বেড়ায় কেবল অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে। কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছোটখাটো ত্রুটি, কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রশাসনিক দুর্বলতা কিংবা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সংকট সবকিছুই এখন ‘নিউজ করে দেব’ হুমকির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের উপকরণে পরিণত হয়েছে। এতে সাংবাদিকতার সামাজিক ভূমিকা ধ্বংস হচ্ছে। কারণ মানুষ এখন অনেক ক্ষেত্রে সংবাদকর্মীকে দেখলে তথ্যদাতা নয়, বরং ভয় ও ঝামেলার উৎস হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে। এই চাঁদাবাজির সংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে প্রকৃত সাংবাদিকদের। কারণ একজন সৎ সাংবাদিক যখন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে যান, তখন অনেকেই তাকে একই চোখে দেখেন। ফলে সংবাদ সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ে, মানুষের আস্থা কমে যায় এবং পুরো পেশাটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে।
আজ সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো মুষ্টিমেয় কিছু অপরাধপ্রবণ ও অসাধু মানুষের দায়ভার বহন করতে হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের। একজন পেশাদার সংবাদকর্মী যখন মাঠে কাজ করতে যান, তখন তাকেও অনেক সময় সন্দেহের চোখে দেখা হয়। অনেকেই মনে করেন, হয়তো তিনিও কোনো উদ্দেশ্যে এসেছেন। এই সামাজিক অবিশ্বাস একজন সাংবাদিকের কাজকে কঠিন করে তোলে। কারণ সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের আস্থা। মানুষ যদি সংবাদকর্মীর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে যায়, সত্য উন্মোচনের পথ সংকুচিত হয়। এছাড়া এই পরিস্থিতি তরুণ মেধাবীদেরও সাংবাদিকতা পেশা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। যারা একসময় আদর্শবাদ নিয়ে সাংবাদিকতায় আসতে চাইত, তারা এখন এই পেশাকে অনিশ্চিত ও অসম্মানজনক ভাবতে শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের গণতন্ত্র ও জবাবদিহির জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে।
আইনি শিথিলতা ও নামসর্বস্ব পোর্টালের ভয়াবহ বিস্তার দিন দিন বেড়েই চলেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, তেমনি নিয়ন্ত্রণহীনতা ভয়াবহ বিশৃঙ্খলাও সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে হাজার হাজার অনলাইন নিউজ পোর্টাল গড়ে উঠেছে, যাদের অধিকাংশের কোনো কার্যকর সম্পাদকীয় কাঠামো, নৈতিক নীতিমালা কিংবা পেশাগত মানদণ্ড নেই। যে কেউ একটি ওয়েবসাইট খুলে নিজেকে সম্পাদক বা সাংবাদিক ঘোষণা করতে পারছে। অনেক ক্ষেত্রে অফিস নেই, সংবাদকর্মী নেই, এমনকি কোনো নির্ভরযোগ্য পাঠকগোষ্ঠীও নেই তবু তারা সাংবাদিক পরিচয়ে সক্রিয়। এই অবস্থা সাংবাদিকতার বাজারকে ভয়াবহভাবে দূষিত করছে। রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর দুর্বলতা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। কার্যকর নিবন্ধন ব্যবস্থা, নিরীক্ষা কিংবা জবাবদিহি না থাকায় অপেশাদার ও অসাধু লোকেরা অবাধে এই পেশায় প্রবেশ করছে। ফলে প্রকৃত সংবাদমাধ্যমগুলোও একই প্রশ্নবিদ্ধ পরিবেশে পড়ে যাচ্ছে।
অপরাধ জগতের নতুন অভয়ারণ্য হিসেবে সাংবাদিক পরিচয় ভয়াবহ রূপ পেয়েছে। 
বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, অপরাধ জগতের অনেক ব্যক্তি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছে। মাদক ব্যবসা, চোরাচালান, অবৈধ দখলদারিত্ব কিংবা ভূমিদস্যুতার করছে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো, এসব লোক বড় বড় ব্যানার, অবৈধ অনলাইন টিভি কিংবা ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে সেখানে নিজেদের লোক নিয়োগ দিচ্ছে। এতে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন এবং অপরাধীরা সংবাদমাধ্যমের আড়ালে নিজেদের অন্ধকার সাম্রাজ্য বিস্তার করছে। এটি কেবল সাংবাদিকতার সংকট নয়; বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।
সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ ও পেশাগত নৈতিকতার ভয়াবহ অনুপস্থিতি। সাংবাদিকতা একটি বিশেষায়িত বিদ্যা। এখানে তথ্য যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, ভাষাশৈলী, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় অনেক তথাকথিত সাংবাদিক সংবাদ লেখার মৌলিক কাঠামো সম্পর্কেও অজ্ঞ।
সংবাদের পাঁচটি W এবং একটি H-কি, কেন, কোথায়, কখন, কে এবং কীভাবে এই মৌলিক কাঠামো না জেনেই অনেকে সংবাদ প্রকাশ করছে। ফলে তথ্য বিভ্রান্তিকর হচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে এবং জনমনে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সংকট হলো নৈতিকতার অবক্ষয়। সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি হলো সত্য ও নিরপেক্ষতা। কিন্তু অনেকেই এখন সংবাদকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করছে। ফলে পেশাগত আদর্শ ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ বলা হয়। কিন্তু সেই দর্পণ যদি নিজেই কাদা মাখা হয়, তবে সমাজ সেখানে নিজের সঠিক প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে কীভাবে? আজ সাধারণ মানুষ ক্রমশ সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারাচ্ছে। মানুষ যখন দেখে সাংবাদিক পরিচয়ে একদল লোক চাঁদাবাজি, অপপ্রচার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তখন তারা পুরো গণমাধ্যম ব্যবস্থাকেই সন্দেহের চোখে দেখে। এতে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তার আরও সহজ হয়। কারণ মানুষ যখন মূলধারার সংবাদে আস্থা হারায়, তখন তারা যাচাইহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এই আস্থাহীনতা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। একটি রাষ্ট্রে স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম দুর্বল হয়ে পড়লে জবাবদিহি কমে যায়, গুজব বাড়ে এবং সমাজে বিভাজন গভীর হয়। ফলে সাংবাদিকতার সংকট শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সংকটে রূপ নেয়।

এ অবস্থায় রাষ্ট্রের কী করা উচিত? উত্তরণের পথ

সাংবাদিকতার এই ভয়াবহ অবক্ষয় রোধ করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন একটি শক্তিশালী ও স্বচ্ছ জাতীয় নিবন্ধন ব্যবস্থা। তথ্য মন্ত্রণালয়, প্রেস কাউন্সিল ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যেখানে প্রকৃত সাংবাদিকদের পরিচয়, কর্মস্থল, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা সংরক্ষিত থাকবে। সাংবাদিক পরিচয়ে অপরাধ, চাঁদাবাজি কিংবা অপপ্রচার রোধে দ্রুত বিচারভিত্তিক বিশেষ আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন ও তদারকি কঠোর করতে হবে, যেন যে কেউ ইচ্ছামতো পোর্টাল খুলে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা শিক্ষা এবং পেশাগত মানোন্নয়নের উদ্যোগও জরুরি। মূলধারার সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে অপেশাদার ও অপরাধীরা এই পেশার আড়ালে আশ্রয় নিতে না পারে।
দিনশেষে সমাজ তার বিবেককে খুঁজে পায় সংবাদপত্রের পাতায়। সেই বিবেক যদি নীতিহীনতা, অশিক্ষা ও অপরাধের দখলে চলে যায়, তবে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎও অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়; এটি সভ্য সমাজের নৈতিক শিরদাঁড়া। সেই শিরদাঁড়ায় যদি পচন ধরে, তবে গণতন্ত্রও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। “আগাছা যখন ধানক্ষেত গ্রাস করে, তখন অন্নের সংকট অনিবার্য হয়ে ওঠে।” আজ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও সেই আগাছার বিস্তার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এই আগাছা উপড়ে ফেলতে হবে রাষ্ট্রকে, সমাজকে এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মিলিত প্রয়াসে। সময় এসেছে কলমকে আবারও সত্যের পক্ষে দাঁড় করানোর। সময় এসেছে সাংবাদিকতার পবিত্রতাকে ফিরিয়ে আনার। কারণ, সমাজের দর্পণ যদি স্বচ্ছ না থাকে, তবে জাতিও একদিন নিজের মুখ চিনতে ভুলে যাবে।

মীর আব্দুল আলীমঃ সাংবাদিক,  কলামিস্ট।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


 
১
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের নবনিযুক্ত ২৫ কর্মকর্তাকে মহাপরিচালকের বিশেষ ক্লাস
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের নবনিযুক্ত ২৫ কর্মকর্তাকে মহাপরিচালকের বিশেষ ক্লাস
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সদ্য যোগ দেওয়া ২৫ জন সিনিয়র অফিসারের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে বিশেষ ক্লাস নিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম ...
২
যাত্রাবাড়ীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেফতার ২, মাদক বিক্রির ৩৪ লাখ টাকা উদ্ধার
যাত্রাবাড়ীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেফতার ২, মাদক বিক্রির ৩৪ লাখ টাকা উদ্ধার
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪৩টি ইয়াবা, ২২ পুরিয়া হেরোইন, একটি বিয়ারের ক্যানসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল ...
৩
ঢাকার বাসায় রাকিবকে হত্যা, কার্টনে ভরে মরদেহ নেয় নীলফামারীতে; ২০ দিন পর রহস্য উদ্‌ঘাটন
ঢাকার বাসায় রাকিবকে হত্যা, কার্টনে ভরে মরদেহ নেয় নীলফামারীতে; ২০ দিন পর রহস্য উদ্‌ঘাটন
রাজধানীর কাফরুলে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলামকে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।এ ঘটনায় মো. ...
৪
এরা নাকি সাংবাদিক
এরা নাকি সাংবাদিক
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম সবখানেই সাংবাদিকতা ছিল সাহসী এক প্রহরীর নাম। কিন্তু ...
৫
খোলস বদলে রাজনৈতিক পুনর্বাসনের অভিযোগ, মহাখালীতে ‘ময়লা স্বপন’কে ঘিরে প্রশ্ন
খোলস বদলে রাজনৈতিক পুনর্বাসনের অভিযোগ, মহাখালীতে ‘ময়লা স্বপন’কে ঘিরে প্রশ্ন
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একসময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের কেউ কেউ নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে ফের ...
৫
ঢাকায় ফলের আড়তে চাঁদাবাজির সময় গ্রেফতার ৪
ঢাকায় ফলের আড়তে চাঁদাবাজির সময় গ্রেফতার ৪
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন আব্দুল্লাহপুর ফলের আড়তে চাঁদাবাজির অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)।বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ...
৭
সিলেট নগরীতে ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’র বিরুদ্ধে ইউকে ভিসার নামে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
সিলেট নগরীতে ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’র বিরুদ্ধে ইউকে ভিসার নামে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
যুক্তরাজ্যে (ইউকে) ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক নারীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর ...
৮
ঋণ দিয়ে পরে তা জাকাত হিসেবে গণ্য করা যাবে কি?
ঋণ দিয়ে পরে তা জাকাত হিসেবে গণ্য করা যাবে কি?
প্রশ্নযদি কেউ এ নিয়তে কাউকে জাকাতের টাকা ধার দেন যে, ওই ব্যক্তি টাকা ফেরত দিতে না পারলে সেটি তাকে জাকাত ...
৯
পাইলস নিয়ে কুসংস্কার নয়, প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা
পাইলস নিয়ে কুসংস্কার নয়, প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা
পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাচ্ছে? মলদ্বারের কাছে গুটি বা মাংসপিণ্ডের মতো কিছু অনুভূত হচ্ছে? পায়খানা করতে কষ্ট হচ্ছে? এ ধরনের সমস্যায় ...
১০
৩০ ব্যাংকের বন্ধ এটিএম ও অনলাইন সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ
৩০ ব্যাংকের বন্ধ এটিএম ও অনলাইন সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ
কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ বা ব্যাহত থাকা প্রায় ৩০টি ব্যাংকের কার্ড ও সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ...
 
১
কালিহাতীতে বালু মহালে অভিযান, ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা
কালিহাতীতে বালু মহালে অভিযান, ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চারজনকে মোট ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা ...
২
কালিহাতীতে আন্তর্জাতিক হিফজ শাখার শুভ উদ্বোধন
কালিহাতীতে আন্তর্জাতিক হিফজ শাখার শুভ উদ্বোধন
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জামি‘আতুস সুন্নাহ আল ইসলামিয়া কস্তুরীপাড়ায় আন্তর্জাতিক হিফজ শাখার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় মাদ্রাসা ...
৩
বোদা আউলিয়ার ঘাটে ভয়াবহ নৌ-ট্র্যাজেডির ৪ বছর পূর্ণ হলো, কাঁদছে করতোয়ার পাড়
বোদা আউলিয়ার ঘাটে ভয়াবহ নৌ-ট্র্যাজেডির ৪ বছর পূর্ণ হলো, কাঁদছে করতোয়ার পাড়
গত ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সেই ভয়াবহ নৌকাডুবির চার বছর পূর্ণ হলো। চার বছর পেরিয়ে গেলেও স্বজন হারানোর সেই ...
৪
ময়মনসিংহে বাসের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ৭
ময়মনসিংহে বাসের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ৭
ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও একটি শিশু ...
৫
ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালিকে দেশে ফেরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালিকে দেশে ফেরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বদলে গেছে বাংলাদেশ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঢেউ যেন পুরোনো দুঃশাসনের অধ্যায়কে পেছনে ফেলে নতুন প্রত্যাশার দুয়ার খুলে দিয়েছে। দেশের গ্রাম থেকে ...
৫
টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানে ভোক্তার থাবা
টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানে ভোক্তার থাবা
টাঙ্গাইলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও বাসি খাবার সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৩ ...
৭
বিদেশগামী ৭১শতাংশ কর্মীই ‘অদক্ষ’ঃ দক্ষের নামে পাঠানো হচ্ছে অদক্ষদের
বিদেশগামী ৭১শতাংশ কর্মীই ‘অদক্ষ’ঃ দক্ষের নামে পাঠানো হচ্ছে অদক্ষদের
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের প্রায় ৭১ শতাংশই সরকারি টিটিসি বা বেসরকারি প্রশিক্ষণকেন্দ্র—কোনো জায়গা থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিক ...
৮
মসজিদ নয়: ভাঙতে হবে বিদ্বেষের দেয়াল
মসজিদ নয়: ভাঙতে হবে বিদ্বেষের দেয়াল
মসজিদ ভাঙার ঘটনা কোনোভাবেই শুধু একটি স্থাপনা ভেঙে ফেলার ঘটনা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের বিশ্বাস, প্রার্থনা, স্মৃতি, আবেগ ...
৯
নেটওয়ার্ক ছাড়াই ফোনে যোগাযোগ: আল্ট্রালিংক যেভাবে কাজ করে
নেটওয়ার্ক ছাড়াই ফোনে যোগাযোগ: আল্ট্রালিংক যেভাবে কাজ করে
স্মার্টফোনে কাউকে কল করা বা মেসেজ পাঠানোর সময় আমরা সাধারণত মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করি। ফোন থেকে পাঠানো তথ্য ...
১০
স্বতন্ত্র সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন
স্বতন্ত্র সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন
আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) অক্টোবর মাসব্যাপী দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com