/ মতামত / কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দরকার নীতিগত দর্শন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা
কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দরকার নীতিগত দর্শন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Tuesday, 28 July, 2026 at 2:43 PM
কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দরকার নীতিগত দর্শন ও প্রশাসনিক সক্ষমতাজনকল্যাণ, শান্তি, উন্নয়ন, সেবা, দেশপ্রেম ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার আলোকে রাজনীতি যেমন দেশ পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি ও দর্শন, তেমনি জনগণের কল্যাণে এবং জনগণ পরিচালিত ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকারই গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে পরিগণিত।রাজনীতি ও গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য হচ্ছে, নীতি ও সংবিধানের আলোকে প্রজাতন্ত্রের জনগণকে পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করা। অর্থাৎ, রাজনীতি, গণতন্ত্র ও সংবিধান একটির সঙ্গে অপরটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সম্পৃক্ত। অন্যদিকে রাষ্ট্রক্ষমতা অনেকের কাছে সম্মান, প্রভাব কিংবা কর্তৃত্বের প্রতীক। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত সাফল্য কি ক্ষমতার প্রদর্শনে, নাকি মানুষের কল্যাণে? সত্যি বলতে কি,নেতৃত্ব ক্ষমতা ভোগের উপায় নয়; এটি একটি মহান আমানত, কঠিন পরীক্ষা এবং  জবাবদিহির বিষয়। কারণ, একজন রাষ্ট্রপ্রধানের প্রতিটি সিদ্ধান্ত কোটি মানুষের জীবন, জীবিকা, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কল্যাণকে প্রভাবিত করে। তাই রাষ্ট্রদর্শনে উন্নয়নের প্রকৃত লক্ষ্য কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি বৃদ্ধি নয়; বরং ন্যায়ভিত্তিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের সামনে একদিকে যেমন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপনের সুযোগও এসেছে। বিরোধী রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং প্রশাসনিক পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই উচ্চ প্রত্যাশা ছিল। সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন পরিবর্তনের সম্ভাবনার প্রতীক, আর সমালোচকদের প্রশ্ন ছিল, দলীয় নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাকে তিনি কতটা কার্যকরভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতায় রূপ দিতে পারবেন। প্রথম একশ দিনে সরকার যে বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দিতে চেয়েছে, তা হলো গতি ও সমন্বয়ের। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ, অর্থনীতি, কৃষি, বিনিয়োগ ও প্রশাসনিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ-এসব উদ্যোগ একটি সক্রিয় প্রশাসনিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত বহন করে। একই সঙ্গে তিনি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে নীতিগত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোয়। যদিও এই উদ্যোগগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল মূল্যায়নের জন্য আরো সময় প্রয়োজন, তবু প্রথম একশ দিনের অভিজ্ঞতা বলছে, নতুন সরকার অন্তত শুরুতেই একটি কর্মমুখী, সিদ্ধান্তনির্ভর এবং ফলাফলকেন্দ্রিক প্রশাসনের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। নতুন সরকারের সামনে প্রথম ও সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন। প্রথম একশ দিনে সরকার রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের উদ্যোগ, ব্যবসা সহজীকরণ এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে নীতিগত সহায়তার ওপর জোর দেয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার, প্রবাসী বিনিয়োগকারী এবং দেশীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ অর্থনৈতিক কূটনীতিকে সক্রিয় করেছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, নীতিগত ঘোষণা ইতিবাচক হলেও এর প্রকৃত প্রভাব মূল্যায়ন করতে সময় লাগবে। কারণ মূল্যস্ফীতির চাপ, বিনিয়োগের ধীরগতি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মতো সূচকে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে ধারাবাহিক নীতি বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারে আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কৃষিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করে স্মার্ট কৃষি, ডিজিটাল কৃষক নিবন্ধন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিঋণ সহজীকরণের মতো উদ্যোগের কথা বলেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতায় এসব পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী। 

তবে দীর্ঘদিন কৃষি খাতের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের পর্যবেক্ষণ হলো, এই খাতের সবচেয়ে বড় সংকট প্রকল্পের সংখ্যা নয়, বরং নেতৃত্ব ও সুশাসন। অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমন্বয়ের অভাব, দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব, স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রভাব এবং জবাবদিহির ঘাটতি নীতির কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের সুযোগ যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি কোথাও কোথাও সেই পরিবর্তনকে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত সুবিধার জন্য ব্যবহার করার অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। এই বাস্তবতায় শুধু পদ পরিবর্তন বা নতুন প্রকল্প ঘোষণা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কর্মদক্ষতা, সততা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা। কৃষি খাতে টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, দক্ষ নেতৃত্বের বিকাশ এবং মাঠ পর্যায়ে নীতির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় আরেকটি চ্যালেঞ্জ। প্রশাসনকে আরো গতিশীল করার ঘোষণা নতুন সরকারের ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, ফাইল নিষ্পত্তির সময় কমানো এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়নের উদ্যোগ প্রশাসনিক সংস্কারের ইঙ্গিত বহন করে। তবে  পর্যবেক্ষণ বলছে, শুধু নীতিগত ঘোষণা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনো সেই পুরনো কর্মসংস্কৃতি, সিদ্ধান্তহীনতা এবং প্রভাবনির্ভর চর্চার ছাপ রয়ে গেছে। কোথাও কোথাও দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা স্বার্থান্বেষী নেটওয়ার্ক ও অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতার বলয় সংস্কারের গতিকে ধীর করে দেয়। রাজনৈতিক পরিবর্তন তখনই অর্থবহ হবে, যখন প্রাতিষ্ঠানিক আচরণেও পরিবর্তন আসবে। একই প্রশাসনিক মানসিকতা ও জবাবদিহিহীন চর্চা বহাল থাকলে নতুন নীতির সুফলও সীমিত হয়ে পড়বে। তাই দক্ষতা, সততা ও কর্মদক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব বণ্টন এবং অনিয়ম, প্রভাবের অপব্যবহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রকৃত মানদণ্ড। 

যাইহোক, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শুরু থেকেই অর্থনৈতিক কূটনীতিকে পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তির জন্য নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং জলবায়ু অর্থায়ন আকর্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। তবে কূটনৈতিক সাফল্যের প্রকৃত মানদণ্ড হবে সমঝোতা স্মারক নয়, বরং বাস্তব বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং রপ্তানি আয়ে তার দৃশ্যমান প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 
সরকার নীতিগত সক্রিয়তার একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। অর্থনীতিতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ এবং ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করেছে। একই সঙ্গে কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তি, জলবায়ুসহনশীল উৎপাদনব্যবস্থা এবং ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনে সেবার গতি বাড়াতে ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও কর্মদক্ষতাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার আলোচনা নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে রপ্তানি, বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির ভিত্তি শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।প্রথম একশ দিন কোনো সরকারের সাফল্যের মানদণ্ড নয়, বরং এটি সরকারের অগ্রাধিকার, নীতিগত দর্শন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতার একটি প্রাথমিক সূচক। এই সময়ে সরকার অর্থনীতি, কৃষি, প্রশাসনিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক কূটনীতিতে সক্রিয়তার বার্তা দিয়েছে, যা জনমনে নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে। 

তবে নীতিগত ঘোষণা ও বাস্তব পরিবর্তনের মধ্যে যে ব্যবধান, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগকে বাস্তব প্রকল্পে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি এখনো প্রত্যাশিত। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখায়, সফল সরকার সেই, যারা নীতিকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে এবং প্রতিশ্রুতিকে পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দিতে পারে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের ক্ষেত্রেও প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তখনই, যখন সংস্কারের সুফল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, কৃষকের আয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ, বিনিয়োগের পরিবেশ এবং জনসেবার মানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হবে। সবশেষে বলা যায়, প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্দেশ্য কোনো ক্যাডারের মর্যাদা কমানো বা বাড়ানো নয়; বরং রাষ্ট্রের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। একটি আধুনিক রাষ্ট্রে প্রশাসন, চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, শিক্ষা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি-সব ক্ষেত্রের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব, ন্যায্য সুযোগের নিশ্চয়তা, বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের মর্যাদা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে পারলেই একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক সিভিল সার্ভিস গড়ে উঠবে। কারণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি কোনো একক ক্যাডারের আধিপত্যে নয়; বরং সব পেশাগত শক্তির সমন্বিত বিকাশে নিহিত।

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে 


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


 
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়: পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়: পরে আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আগৈলঝাড়া উপজেলা সফরকালে উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও ...
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের কাস্টমস হাউসে মত বিনিময় সভা
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের কাস্টমস হাউসে মত বিনিময় সভা
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গতিশীল করতে ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে ভোমরা কাস্টমস হাউজের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে ...
বোয়ালখালীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
বোয়ালখালীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জায়গার বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের হাতে মোহা; নেজাম উদ্দিন (৪৫) নামের বড় ভাই খুন হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ...
মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
মাদক নির্মূলে শুধু আইন প্রয়োগ বা শাস্তি যথেষ্ট নয়। এ জন্য সমাজের সব মানুষের অংশগ্রহণে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ...
ক্যালিফোর্নিয়ায় বৈশ্বিক ‘রোবোসাব ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ৮ম ব্র্যাকইউ ডুবুরি
ক্যালিফোর্নিয়ায় বৈশ্বিক ‘রোবোসাব ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ৮ম ব্র্যাকইউ ডুবুরি
ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিকস প্রতিযোগিতা ‘রোবোসাব ২০২৬’-এ অষ্টম স্থান অর্জন করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অটোনমাস আন্ডারওয়াটার রোবোটিকস দল ...
আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার  (২৮) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই ...
প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ১৩৭ কোটি টাকা, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের তুলনায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ১৩৭ কোটি টাকা, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের তুলনায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) আর্থিক ফলাফলে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত (কনসোলিডেটেড) ...
সাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি
সাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি
সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার করা প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ...
সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪১ নেতাকর্মীর নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেফতার ১
সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪১ নেতাকর্মীর নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেফতার ১
কৃষক লীগ নেতা জামিন না মঞ্জুর করায় আদালতের ভেতর ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ...
১০
ইস্যু ম্যানেজমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
ইস্যু ম্যানেজমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
প্রস্তাবিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পরিচালনার জন্য কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার পিএলসি-এর সঙ্গে একটি ইস্যু ম্যানেজমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এ ...
 
সরকারে গিয়ে বিএনপির দলীয় কাজে ভাটা, দল গোছাচ্ছেন কারা?
সরকারে গিয়ে বিএনপির দলীয় কাজে ভাটা, দল গোছাচ্ছেন কারা?
বিগত ১৭ বছরে প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের কঠোরতার মধ্যেও রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রায় ...
বিনিয়োগে ভাটা-কর্মসংস্থানে স্থবিরতা: কোন পথে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি?
বিনিয়োগে ভাটা-কর্মসংস্থানে স্থবিরতা: কোন পথে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি?
গাজীপুরের ট্রাউজার ল্যান্ড নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন শ্রমিক ওয়াহিদ নাহিদ হোসেন। গত ঈদুল আজহার দিনও রাত তিনটা পর্যন্ত ...
মহাখালীতে দুই নারীর হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
মহাখালীতে দুই নারীর হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
রাজধানীর মহাখালীতে দুই নারীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার মহাখালীর আমতলী এলাকায় বন ভবনের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ...
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের নতুন পথচলায় কালিহাতী রিপোর্টার্স ক্লাব
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের নতুন পথচলায় কালিহাতী রিপোর্টার্স ক্লাব
নতুন উদ্যম ও প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কালিহাতী রিপোর্টার্স ক্লাব। এ উপলক্ষে শুক্রবার ...
জন্মশহরে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
জন্মশহরে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
আধুনিক ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ...
কালিহাতীতে ফার্মেসিকে জরিমানা
কালিহাতীতে ফার্মেসিকে জরিমানা
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসিতে নকল, ভেজাল, আনরেজিস্টার্ড, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধের বিক্রয় ও সংরক্ষণের বিরুদ্ধে ...
সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানোর শীর্ষে বাংলাদেশিরা
সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানোর শীর্ষে বাংলাদেশিরা
২০২৬ সালের শুরু থেকে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। ইতালির ...
এক দিনের ব্যবধানে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের আবারও আকস্মিক ধ্বস
এক দিনের ব্যবধানে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের আবারও আকস্মিক ধ্বস
এক দিনের ব্যবধানে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের সাখারিয়া এলাকায় যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের আবারও অন্তত ৬৫ মিটার এলাকায় ধ্বস দেখা দিয়েছে। এতে ...
কালিহাতীতে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেফতার
কালিহাতীতে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেফতার
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে আমির হোসেন (৭৫) নামে এক লম্পট গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত আমির হোসেন ...
১০
কালিহাতীতে বিআরডিবি কর্মকর্তার নিজ উপজেলায় বদলি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা
কালিহাতীতে বিআরডিবি কর্মকর্তার নিজ উপজেলায় বদলি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর এক কর্মকর্তার নিজ উপজেলায় বদলিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ও ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com