|
রামিসা’র ধর্ষণ ও নির্মম হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল: বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করুন
নারী ও কন্যা শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
আজ শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর মিরপুর-১১ পূরবী সিনেমা হলের সামনে ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার (বা.জা.ফে-৪০) এর উদ্যোগে মিরপুর পল্লবী’র ৮ বৎসরের কন্যা শিশু রামিসা’র ধর্ষণ ও নির্মম হত্যার খুনি সোহেল রানাসহ জড়িতদের দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।মিছিল পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার এর সভাপতি মোসাঃ সুলতানা বেগম, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নারী কমিটির সভাপতি রোজিনা আক্তার সুমি, দপ্তর সম্পাদক ও নারী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমরিন হোসাইন এ্যানি, প্রচার সম্পাদক মোঃ তাহেরুল ইসলাম, প্রগ্রতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শিরিন আক্তার, প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রাজা, ন্যাশনাল ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স সেন্টারের সহ-সভাপতি জ্যোস্না বেগম, সালমা বেগম, সাধারণ সম্পাদক নুর জাহান, গৃহশ্রমিক জাতীয় ফোরামের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ। সমাবেশ বক্তাগণ বলেন, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট কাছারি সব মিছা’ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ ধর্ষণের বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে "দেশে শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, কিন্তু অধিকাংশ ঘটনারই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে রায় হলেও তা কার্যকর হতে দেখা যায় না। আমরা দাবি জানাচ্ছি, এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের অনতিবিলম্বে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে দৃশ্যমান ও কার্যকর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।" বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারনে, ‘আমাদের দেশে ধর্ষণ ও হত্যাবিরোধী আইনের প্রয়োগে এত বেশি ঢিলেমি ও দীর্ঘসূত্রতা, দেখা যায় যে অপরাধীরা অনেক সময় জামিনে বা অন্য কোনো উপায়ে পার পেয়ে যায়। রামিসার হত্যাকারীও কিছুদিন আগে অন্য একটি মামলায় জেল খেটে জামিনে বের হয়েছিল। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারার কারণেই অপরাধের প্রবণতা কমছে না।’ অপরাধ ও সহিংসতার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শুধু এই নিষ্পাপ শিশুই নয়, এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ শিকার হতে হবে সমাজের সকলকেই। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশু এমন ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।দীর্ঘায়িত হলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে । তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ঘটনার নিষ্পত্তির দাবি জানাই এবং রাষ্ট্রের কাজে নারী ও কন্যা শিশুর নিরাপত্তা চাই। |