|
সংযম ছাড়াই জবাব দেয়ার হুমকি ইরানের
ইরান যুদ্ধে স্থল সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই ট্রাম্পের
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়সূচির চেয়েও এগিয়ে চলছে’।অন্যদিকে বৃটেন ও ইউরোপে গ্যাসের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। কারণ কাতারের রাস লাফান এনার্জি কমপ্লেক্সে হামলা করেছে ইরান। এতে ওই স্থাপনার ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই স্থাপনায় হামলা ‘ইরানিদের একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ এবং তিনি অবিলম্বে হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ইসরাইলের গণমাধ্যমে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের হাইফা তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং তাদের মিত্ররা বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং তেহরানকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে হুমকি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে কঠোর ভাষায় দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প কাতারে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হওয়ার পর ইরানকে আরও হামলা থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর আবার হামলা হলে তেহরান কোনো ধরনের সংযম ছাড়াই জবাব দেবে। ডনাল্ড ট্রাম্প আবারও তার আগের বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইতিমধ্যে ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, নেতৃত্বসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা পাইপলাইন ছাড়া প্রায় সবকিছুই ধ্বংস করে দিয়েছি। ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে চলছে। তাকে যখন প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ওই অঞ্চলে আরও মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন, তখন তিনি বলেন তিনি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছেন না। তবে এমন পরিকল্পনা থাকলেও তিনি সাংবাদিকদের তা জানাতেন না বলেও মন্তব্য করেন। ‘শুধু ট্রাম্পই শান্তি আনতে পারেন’ ওদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তাকাইচি বলেন, বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন ‘শুধু ট্রাম্পই’। তিনি আরও বলেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেয়া উচিত নয়। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়তে যাচ্ছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানান, জাপানি কর্মকর্তারা সরাসরি ইরানের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধ করে। |