|
আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
কেশবপুরে অবহেলায় চালু লাইনে তুলে দিয়ে লেবারকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করার অভিযোগ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
|
যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন কেশবপুর জোনাল অফিসের সাগরদাঁড়ী সাব-জোনাল এলাকার টিটাবাজিতপুর গ্রামে চালুকৃত লাইনে কাজ করাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকির হোসেন (৪০) নামে এক সহযোগী লেবার গুরুতর আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত জাকির টিটাবাজিতপুর গ্রামের আহাদ আলীর পুত্র। বর্তমানে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকা একটি ট্রান্সফরমার পরিবর্তনের জন্য লাইনম্যান (গ্রেড-২) মো. মেহেরাব হোসেন মৎস্য ঘের মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার দিন ১১ হাজার ভোল্টের উচ্চচাপ সম্পন্ন লাইন বন্ধ না করেই তিনি নিজে খুঁটিতে না উঠে অনভিজ্ঞ লেবার জাকিরকে ওপরে তুলে দেন। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকিরের হাত, বুক ও পা মারাত্মকভাবে পুড়ে যায়। জাকির তাঁর দারিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভিযুক্ত লাইনম্যান মো. মেহেরাব হোসেন জানান, "আমরা নিচে ট্রান্সফরমার ডাউন দিয়ে কাজ করছিলাম, তবে ওপরের ১১,০০০ ভোল্টের লাইন চালু ছিল। কাজ করার সময় জাকির বেখেয়ালি হয়ে ওপরের লাইনে স্পর্শ করে ফেলে। সে সেফটি সরঞ্জাম পরা ছিল তবে অনভিজ্ঞ লেবারকে কেন ঝুঁকিপূর্ণ চালু লাইনে ওঠানো হলো এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ের অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব তিনি দেননি। বিষয়টি নিয়ে কেশবপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ আব্দুর রব জানান, ঘটনার পর আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |