/ মতামত / জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Thursday, 20 August, 2026 at 1:10 AM
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরিগত এক দশক ধরে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন করছে, যেখানে শিল্পায়ন, বাণিজ্য, রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ এবং পরিবহন সম্প্রসারণে জ্বালানি তেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় তেল উৎপাদন সীমিত হওয়ায় মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ আমদানি-নির্ভর, বিশেষ করে ডিজেল ও অকটেন। কৃষি, শিল্প, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ খাতে ডিজেলভিত্তিক মেশিনারি ও যানবাহনের বিস্তৃত ব্যবহার অর্থনীতিকে সরবরাহের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের বাজারে সংকট স্পষ্টভাবে লক্ষ করা গেছে। বাংলাদেশে তেলের প্রধান সরবরাহকারী তিনটি সরকারি কোম্পানি পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি। তারা আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০টি পাম্পে তেল বিতরণ করে। বছরে প্রায় সাড়ে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন তেল আমদানি হয়, যার বড় অংশ পরিশোধিত। ২০ শতাংশ কাঁচা তেল দেশেই রিফাইন্ড হয়। তেলের চাহিদার প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ ডিজেলে এবং গ্যাস আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি পথ দিয়ে আসে। তাই হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তেলের সরবরাহ-সংকটের মূল দুই কারণ রয়েছে। প্রথমটি আন্তর্জাতিক ভ‚রাজনৈতিক চাপ, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা। দ্বিতীয়টি দেশীয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা মার্কেট সিন্ডিকেট, প্যানিক ক্রয়, দুর্নীতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব। বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানও জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি এবং মধ্যপ্রাচ্য-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় কূটনৈতিক পদক্ষেপ যেমন আমেরিকার কাছ থেকে রাশিয়ান ডিজেল আমদানির সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, দেশের জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে। তবু আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্তেও অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা সংকটকে তীব্র করছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে তেলের সংকট মিশ্র কারণের ফল আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক চাপ এবং দেশীয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা একত্রে দেশের জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। 

দীর্ঘমেয়াদি স্ট্র্যাটেজিক স্টক, বিকল্প উৎস এবং শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান কঠিন। দেশের অর্থনীতি, পরিবহন, শিল্প ও কৃষি সব ক্ষেত্রেই তেলের অব্যাহত সরবরাহ অপরিহার্য। অর্থনীতির প্রমিত মডেলের ধারণা অনুযায়ী, এনার্জির সরবরাহ না বাড়লেও অর্থনীতির ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি হতে পারে। কারণ, যখন অর্থনীতির মডেলে কেবল শ্রম আর পুঁজিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তখন এনার্জির সরবরাহের কোনো প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নেওয়া হয় না। মানুষ এটা বুঝতে পারে যে, আইন করে বাড়িভাড়া নির্দিষ্ট করে দিলে নতুন বাড়ি তৈরি বন্ধ হবে। কিন্তু, জীবাশ্ম জ্বালানির দাম কমিয়ে রাখার জন্য নেওয়া ব্যবস্থাগুলোর ক্ষেত্রে তারা একই সংযোগ খুঁজে পায় না।জীবাশ্ম জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা করা হলে আমাদের এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, এতে জ্বালানি উত্তোলনের খরচ বেড়ে যাবে। বর্তমানে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলকূপের মালিকেরা উত্তোলনের জন্য এখন আর অর্থ বিনিয়োগ করছেন না। কারণ এর জন্য তাদেরকে আরও অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আর নতুন করে বিনিয়োগের যে খরচ, তা তেল বিক্রি থেকে উঠে আসবে না। বিশ্বে এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ভূগর্ভস্থ মজুতের পরিমাণ কম নয়। কিন্তু সেগুলো উত্তোলন করার যে খরচ তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। উত্তোলন খরচ বেড়ে গেলে জীবাশ্ম জ্বালানি ও এটি থেকে তৈরি পণ্যের দামও বাড়াতে হবে। কিন্তু দাম বাড়লে আবার চাহিদা কমে যাবে।চাহিদা কীভাবে কাজ করে তা নিয়েও মানুষের মধ্যে পরিষ্কার ধারণা নেই। প্রায় গবেষক ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, জ্বালানি পণ্যের চাহিদা সবসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঁচুতে থাকবে। বিশ্বে এখনো কয়েকশ কোটি মানুষ দারিদ্র্যের মাঝে জীবনযাপন করেন। তারা যদি ন্যূনতম মৌলিক চাহিদাগুলোর বাইরে আর কিছু ক্রয় করতে না পারেন-অর্থাৎ তাদের দিক থেকে যদি চাহিদা কমে যায়-তাহলে পণ্যের দামও এত কমে যাবে যে, কেউ আর নতুন করে বিনিয়োগের আস্থা পাবে না।যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে নাইট্রোজেন সার তৈরি করা হয়। সারের দাম বাড়লে, কৃষক সারের ব্যবহার কমিয়ে দেন। ফলে ফসলের পরিমাণও কমে যায়। এতে করে, পরোক্ষভাবে পুরো খাদ্যপণ্য খাতের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। 

আর এ আন্তঃসংযোগটি অর্থনীতিবিদেরা তাদের অর্থনীতির মডেলগুলোতে বিবেচনা করেন না।এক ধরনের এনার্জিকে অন্য ধরন দিয়ে সহজে প্রতিস্থাপন করা যায় না। 'এনার্জি রিটার্ন অন এনার্জি ইনভেস্টেড' এ জনপ্রিয় অনুমানটি সত্য নয়। যেমন প্রচলিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে বায়ুবিদ্যুৎ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যাবে না। কারণ বায়ুবিদ্যুৎ একটি অনিশ্চিত ব্যবস্থা। শীতকালে যখন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না বা কম উৎপাদিত হবে, তখন সেই ঘাটতিটুকু জীবাশ্ম জ্বালানি দিয়ে মেটানোর কথা অনেকে বলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হলো জীবাশ্ম জ্বালানিকে তখন সারাবছরব্যাপী চলমান থাকতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে-দক্ষ জনবল, পাইপলাইন, ও জ্বালানি স্টোরেজ। অর্থাৎ, তখন বিদ্যুতের জন্য একক ব্যবস্থার বদলে দুইটি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ও বৈশ্বিক রাজনীতিবিদেরা জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য বায়ু ও সৌরশক্তি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি বেশি ব্যবহারের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বিগ্ন ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমে গেলে অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে চিন্তিত; দুপক্ষই প্রস্তাবটির অনুমোদন দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। ধনী ও শক্তিশালী পক্ষগুলো এ পরিবর্তনকে ভালোভাবে গ্রহণ করবে, যদি তারা এটি থেকে লাভবান হতে পারে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকলে, পারিশ্রমিক ও সম্পদের মধ্যে বৈষম্য বেড়ে যাবে। এছাড়া রাজনীতিবিদেরা মনে করেন, যদি তারা নাগরিকদের কম জ্বালানি খরচ করেও পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে জনগণের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বেড়ে যাবে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এপ্রিল মাসের শেষ পর্যন্ত দেশের মোট তেলের মজুত ছিল প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৮ মেট্রিক টন, যার মধ্যে ডিজেল ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল, অকটেন ও পেট্রোলের যথেষ্ট মজুত রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় দাম নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ চুক্তির মাধ্যমে মূল্য ওঠানামা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। 

তবে এই সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান অর্জনের জন্য শুধু আন্তর্জাতিক সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়া বা হরমুজ প্রণালি সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যথেষ্ট নয় একটি দীর্ঘমেয়াদি, আকাক্সিক্ষত ও সম্পূর্ণ রূপান্তর কৌশল তৈরি করতে হবে, যা সরকারি পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক কুটনীতিক উদ্যোগ, অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তির নতুন সুযোগ সবকিছুকে সম্মিলিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করবে। তবে সরকারকে শক্তভাবে একটি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি-নিরাপত্তা রোড ম্যাপ গ্রহণের দায়িত্ব নিতে হবে। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আমদানির উৎসগুলোকে বহুমুখী করা জরুরি শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও রাশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য উৎস থেকেও স্থিতিশীলভাবে তেল আমদানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এবং দেশীয় বাজারে কঠোর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। বোর্ড মনিটরিং, সিন্ডিকেটীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ, মজুত ও অতিরিক্ত ক্রয় রোধ ইত্যাদি বিষয় সাপ্তাহিক ও দৈনিক পর্যায়ে পর্যবেক্ষণযোগ্য ও আইনগত দণ্ডযোগ্য করতে হবে। তাছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদে স্থানীয় উৎপাদন ও রিফাইনারি সক্ষমতা সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে রিফাইনারি বৃদ্ধি, গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি এবং এলএনজি টার্মিনালের শক্তিশালীকরণ এই পদক্ষেপগুলি জ্বালানি নিরাপত্তার দিক থেকে অপরিহার্য। পাশাপাশি পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তি, যেমন সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করলে দেশের তেলের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখা জরুরি। কোনো এক নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা সামরিক ব্লকের প্রতি সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হওয়ার পরিবর্তে, বিশ্বব্যাপী সক্রিয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জ্বালানি প্রধান দেশগুলোতে সম্ভাব্য সংঘাতভবিষ্যতে সরবরাহে বড় ধরনের প্রতিকুলতা তৈরি করতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সতর্ক করেছে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি-নিরাপত্তা এখন একক রাষ্ট্র বা চুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং বহু দেশের মধ্যে সমন্বিত ও স্থিতিশীল চ্যানেল নিশ্চিত করার ওপর নির্ভর করছে। 

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ডিজেল ও অকটেনের বাজারে দেখা গেছে, মজুত এবং অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি কিছু এলাকায় সরবরাহ চেইনকে ব্যাহত করেছে। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি স্থানীয় উৎপাদন ও রিফাইনারি সক্ষমতা সীমিত। বাংলাদেশের দুটি প্রধান রিফাইনারি; পোর্ট আর্থার রিফাইনারি এবং মহেশখালী তেল টার্মিনাল বর্তমান চাহিদা মেটাতে সীমিত সক্ষমতা রাখে। আগামী দশকে রিফাইনারি সম্প্রসারণ ও গ্যাস উত্তোলন উন্নয়ন না হলে, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার চাপ দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। জ্বালানি বিকল্প ও পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার এখনো অপর্যাপ্ত। সৌর, বায়ু ও জৈব জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি না হলে, দেশের তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে প্রথমত দীর্ঘমেয়াদি শক্তি নিরাপত্তানীতি প্রণয়ন করতে হবে, যার মধ্যে থাকবে একাধিক উৎস থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি, স্থানীয় রিফাইনারি সম্প্রসারণ, পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, সিন্ডিকেট রোধ এবং জনগণ ও খুচরা বিক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক তেলসংকট প্রমাণ করে, জ্বালানি-নিরাপত্তা শুধু আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল নয়; অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, সিন্ডিকেট, বাজার আচরণ এবং জনসচেতনতা এই সংকটের গুরুতর মাত্রা নির্ধারণ করে। হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আন্তর্জাতিক প্রভাব ফেললেও, অভ্যন্তরীণ সংকট; যেমন- প্যানিক ক্রয়, মজুত ও সিন্ডিকেট, সংকটকে তীব্র করেছে। সরকারের পদক্ষেপ বিকল্প আমদানি চ্যানেল, স্টক বৃদ্ধি, মূল্য নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত অভিযান, সংশোধনী হলেও চূড়ান্ত সমাধান নয়। বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি কৌশল, বহুমুখী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, স্থানীয় উৎপাদন ও রিফাইনারি সম্প্রসারণ, এবং পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। একটি সমন্বিত পরিকল্পনা অনুসরণ করলে, বাংলাদেশ শুধু সংকটের মধ্যেই টিকে থাকতে পারবে তা না, ভবিষ্যতে স্থায়ী জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। 

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


 
গ্যাস কমতেই সন্ধ্যার পর বাড়লো লোডশেডিং
গ্যাস কমতেই সন্ধ্যার পর বাড়লো লোডশেডিং
এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দিনের শুরুতে পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও বিকাল গড়ানোর সঙ্গে ...
‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা কাউকে বলবেন না’: জুলাই শহীদের বাবাকে চিকিৎসক
‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা কাউকে বলবেন না’: জুলাই শহীদের বাবাকে চিকিৎসক
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গুলিতে নিহত হন তরুণ শাহরিয়ার হোসেন। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করলেও মৃত্যু ...
কয়েকদিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভায় আসতে পারে নতুন মুখ
কয়েকদিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভায় আসতে পারে নতুন মুখ
রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম ৬ মাস অতিক্রম করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এখন মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন ...
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন করছে, যেখানে শিল্পায়ন, বাণিজ্য, রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ এবং পরিবহন সম্প্রসারণে ...
এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্সে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ
এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্সে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ
টাঙ্গাইলের উপশহর এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ...
কালিহাতীতে ভোক্তা অধিকার আইনে ৪ ব্যবসায়ীকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা
কালিহাতীতে ভোক্তা অধিকার আইনে ৪ ব্যবসায়ীকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা
কালিহাতীতে আউলিয়াবাদ বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৪ ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ...
টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্যোগ মোকাবিলায় মক ড্রিল অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্যোগ মোকাবিলায় মক ড্রিল অনুষ্ঠিত
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্ততি, অগ্নিকান্ডে উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল ( ১৯ আগস্ট) কলেজ ...
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে তানজিম হাসান নামে তিন বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (১৮ আগস্ট) দিনগত ...
আত্রাইয়ে সরকারি গাছ কাটার অপরাধে একজনকে জরিমানা
আত্রাইয়ে সরকারি গাছ কাটার অপরাধে একজনকে জরিমানা
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সদুপুর দক্ষিণ পাড়ায় সরকারি আদেশ অমান্য করে সরকারি জায়গায় লাগানো গাছ অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে মিন্টু প্রামাণিক নামের ...
১০
আগৈলঝাড়ায় নিজস্ব অর্থায়নে সড়ক সংস্কারে এলাকাবাসী
আগৈলঝাড়ায় নিজস্ব অর্থায়নে সড়ক সংস্কারে এলাকাবাসী
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগধা বালুর মাঠ থেকে উজিরপুরের সাতলা যাতায়াতের সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের ...
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শতভাগ ফেল করা চার মাদ্রাসার দুই সুপারকে শোকজ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শতভাগ ফেল করা চার মাদ্রাসার দুই সুপারকে শোকজ
চলতি বছরের প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পর্যবেক্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চারটি দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণকারী ২৬জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোন ...
কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না
কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভিয়াইল সংলগ্ন কুমর্সী বিলের মাঝে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।খাল খননের নামে সরকারি টাকা অপচয় হয়েছে ...
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অসহনীয় লোডশেডিং বন্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ...
সাতক্ষীরায় প্রিমিয়ার সিমেন্ট বিশ্বকাপ মাতোয়ারা প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ইমারত শ্রমিকদের জয়
সাতক্ষীরায় প্রিমিয়ার সিমেন্ট বিশ্বকাপ মাতোয়ারা প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ইমারত শ্রমিকদের জয়
সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রিমিয়ার সিমেন্ট বিশ্বকাপ মাতোয়ারা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ডি.বি. ...
কালিহাতীতে মোবাইল কোর্টে তিন ক্লিনিককে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা
কালিহাতীতে মোবাইল কোর্টে তিন ক্লিনিককে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ...
বোদায় দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত
বোদায় দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত
পঞ্চগড়ের বোদায় দৈনিক করতোয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টায় বোদা উপজেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত ...
বোদায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, পোনা অবমুক্ত ও আলোচনা সভা
বোদায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, পোনা অবমুক্ত ও আলোচনা সভা
পঞ্চগড়ে বোদায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার ...
টাঙ্গাইলে ঔষধের ফার্মেসিকে জরিমানা
টাঙ্গাইলে ঔষধের ফার্মেসিকে জরিমানা
টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নতুন বাসস্ট্যান্ডে বিভিন্ন ফার্মেসীতে মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে,টাঙ্গাইল  ঔষধ  প্রশাসন  ও পুলিশ বিভাগ এর সমন্বয়ে নকল, ...
আগৈলঝাড়ায় বর্ষায় কর্মহীন কৃষকের বিকল্প জীবিকা: শাপলা বিক্রি করে দিনে আয় ২–৩ হাজার টাকা
আগৈলঝাড়ায় বর্ষায় কর্মহীন কৃষকের বিকল্প জীবিকা: শাপলা বিক্রি করে দিনে আয় ২–৩ হাজার টাকা
জাতীয় ফুল শাপলা। বর্ষার জলে বিল-ঝিল, খাল-বাঁওড় কিংবা ডুবে থাকা কৃষিজমিতে ফুটে থাকা সেই শাপলা এখন বরিশালের আগৈলঝাড়ার বহু পরিবারের ...
১০
তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের জন্য অশনিসংকেত
তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের জন্য অশনিসংকেত
দেশে বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট চলছে তার মূল কারণ হচ্ছে গ্যাস সরবরাহের স্বল্পতা। এ পরিস্থিতি এই ঘাটতি হঠাৎই তৈরি হয় ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com