/ ফিচার / কেন বারবার মহামারি রূপে ফিরে আসে ‘নীরব ঘাতক’ হাম?
কেন বারবার মহামারি রূপে ফিরে আসে ‘নীরব ঘাতক’ হাম?
নতুন বার্তা, ঢাকা:
Published : Wednesday, 13 May, 2026 at 11:40 PM, Update: 13.05.2026 11:44:18 PM
কেন বারবার মহামারি রূপে ফিরে আসে ‘নীরব ঘাতক’ হাম?একসময় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর সংক্রামক রোগগুলোর একটি ছিল হাম। টিকা আবিষ্কারের আগে প্রতি দুই থেকে তিন বছর পরপর এই রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ত। আর তাতে বছরে গড়ে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হতো। এখনো বিশ্বজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি দুর্বল হয়ে পড়লে রোগটি দ্রুত ফিরে আসে এবং হাজারও মানুষের প্রাণ নেয়।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসের মাধ্যমে এটি ছড়ায়। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারেন, যদি তাদের শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা না থাকে।

হাম কতটা ভয়ংকর
অনেকেই হামকে শিশুদের সাধারণ একটি রোগ মনে করলেও এর পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ:

নিউমোনিয়া ও মস্তিস্কের ক্ষতি: হামের কারণে মারাত্মক নিউমোনিয়া, স্থায়ী অন্ধত্ব, এবং তীব্র ডায়রিয়া হতে পারে। সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো ‘এনসেফালাইটিস’ বা মস্তিষ্কের প্রদাহ, যা আক্রান্ত শিশুকে চিরতরে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে অথবা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
হাসপাতালে ভর্তির উচ্চ হার: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস: হামের ভাইরাস মানবশরীরের পূর্বের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার স্মৃতি বা ‘ইমিউন মেমোরি’ সম্পূর্ণ মুছে দেয়। ফলে হাম থেকে সেরে ওঠার পরও শিশুরা দীর্ঘদিন অন্য যে কোনো সাধারণ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

ইতিহাসে হামের মহামারি ও মৃত্যুর মিছিল
টিকা আবিষ্কারের আগে ও পরে মানব ইতিহাসে হাম বহুবার প্রলয়ংকরী মহামারি আকারে আঘাত হেনেছে। চিকিৎসকদের ধারণা, বিগত ১৫০ বছরে হামের কারণে বিশ্বে আনুমানিক ২০ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

আমেরিকা মহাদেশের আদিবাসী বিপর্যয় (১৬শ শতাব্দী)
ইউরোপীয় অভিযাত্রীরা যখন প্রথম আমেরিকা মহাদেশে পাড়ি জমায়, তখন তাদের মাধ্যমে সেখানে হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও গুটিবসন্তের ভাইরাস প্রবেশ করে। আমেরিকার স্থানীয় আদিবাসীদের শরীরে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ক্ষমতা ছিল না। ইতিহাসবিদদের মতে, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে হাম ও অন্যান্য মহামারিতে আমেরিকার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আদিবাসী জনসংখ্যা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

ফিজির এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা বিলুপ্তি (১৮৭৪ সাল)
১৮৭৪ সালে ফিজির তৎকালীন রাজা কাকোবাউ ব্রিটেন সফর শেষে দেশে ফিরে আসেন। তার সঙ্গ আসা ক্রুদের মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রে হামের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে হামের তীব্রতা এতই ভয়াবহ ছিল যে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফিজির মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় ৪০ হাজার মানুষ) মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পুরো দ্বীপটি তখন এক বিশাল শ্মশানে পরিণত হয়েছিল।

টিকা আবিষ্কারের আগে বৈশ্বিক তাণ্ডব (১৯৬৩ সালের আগে)
১৯৬৩ সালে বিজ্ঞানী মরিস হিলম্যানের হাত ধরে হামের সফল টিকা আবিষ্কারের আগে এটি ছিল একটি নিয়মিত বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্যাক্টশিট অনুযায়ী, প্রতি দুই থেকে তিন বছর পর পর বিশ্বজুড়ে হামের বড় মহামারি দেখা দিত। সেই সময়ে প্রতি বছর বিশ্বে গড়ে ২৬ লাখ মানুষ কেবল হামের কারণেই মারা যেত।

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের মহামারি (১৯৮০ ও ১৯৯০)
টিকা আবিষ্কারের পরও টিকাদানের আওতা সব দেশে সমান না হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। ১৯৮০ সালেও বিশ্বব্যাপী হামের প্রকোপে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এরপর ১৯৯০ সালের দিকে টিকাদানের হার বৃদ্ধিতে মৃত্যু কমলেও ওই বছর বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ মারা যায়।

কঙ্গো ও মাদাগাস্কার সংকট (২০১৯)
সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব ঘটে ২০১৯ সালে। আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মাদাগাস্কার এবং ইউরোপের ইউক্রেনে টিকাদানের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় রোগটি মহামারির রূপ নেয়। ওই বছর কেবল কঙ্গোতেই পাঁচ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয় এবং বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৭ হাজার ৫০০ জনে।

সাম্প্রতিক পুনরুত্থান (২০২৪–২০২৬)
করোনা মহামারির ধাক্কায় বিশ্বজুড়ে প্রায় তিন কোটি শিশু নিয়মিত হামের টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। এর ফলে ২০২৪ সালে বিশ্বের ৫৯টি দেশে বড় ধরনের হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। দ্য ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে রেকর্ড ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং ৯৫ হাজার মানুষ মারা গেছে। এই মৃত্যুর ৮০ শতাংশই ঘটেছে আফ্রিকা ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে।

এমনকি ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার মতো উন্নত দেশগুলো ‘হাম মুক্ত’ দেশের মর্যাদা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৬৩ জন।

বারবার কেন ফিরে আসে হাম?
হামের ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল বা কার্যকর ওষুধ নেই। আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল এবং পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার মাধ্যমে এর তীব্রতা কিছুটা কমানো যায়। নিউমোনিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণ মোকবিলায় চিকিৎসক হয়তো অ্যান্টিবায়োটিকও ব্যবহার করতে পারেন।

তবে এই মহামারি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো দুই ডোজের হাম-রুবেলা (এমএমআর) প্রতিষেধক টিকা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, হাম কোনো সীমানা মানে না। এই ভাইরাস আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থার যে কোনো সামান্যতম ফাঁকফোকরকেও খুঁজে বের করে আক্রমণ করে। যদি কোনো সম্প্রদায়ের অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা না যায়, তবে হামের মহামারি প্রতিরোধ করা অসম্ভব।
বাস্তবতা হলো, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রথম ডোজের টিকার হার ৮৪ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজের হার মাত্র ৭৬ শতাংশে নেমে এসেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই টিকাদানের বৈশ্বিক ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা না গেলে ইতিহাসের এই ভয়ংকর ঘাতক রোগটি আবারও মানবসভ্যতার জন্য বড় মহামারি বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রই পারে বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে: রাশিয়া
একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রই পারে বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে: রাশিয়া
বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্রমেই ভেঙে পড়ছে উল্লেখ করে ক্রেমলিন জানিয়েছে, বিশ্বকে একটি বড় ধরনের বৈশ্বিক যুদ্ধ থেকে রক্ষা করার একমাত্র ...
সচিব কমিটির বৈঠক: পে-স্কেলে মূল বেতন বাড়লেও ভাতায় কাটছাঁটের প্রস্তাব
সচিব কমিটির বৈঠক: পে-স্কেলে মূল বেতন বাড়লেও ভাতায় কাটছাঁটের প্রস্তাব
নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন খাতের ভাতায় বড় ধরনের কাটছাঁট বা যৌক্তিকীকরণের ...
ফুুলবাড়ীতে ফুল গাছ লাগাই স্লোগানে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন
ফুুলবাড়ীতে ফুল গাছ লাগাই স্লোগানে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন
“আসুন ফুলবাড়ীতে ফুলগাছ লাগাই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্ধোধন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৪ জুন) ...
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রশ্ন, দুর্ভোগে ফুলবাড়ীবাসী
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রশ্ন, দুর্ভোগে ফুলবাড়ীবাসী
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও নাগরিক সেবার মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে ...
টাঙ্গাইলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ১২ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোফাজ্জল হোসেন মফিজুল (৩৫) নামে এক যুবকের ...
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের ‘বিকৃত প্রচারের’ অভিযোগ
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের ‘বিকৃত প্রচারের’ অভিযোগ
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের একটি বক্তব্যের অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে জেলায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ...
লক্ষ্মীপুরে ২মাস ধরে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি
লক্ষ্মীপুরে ২মাস ধরে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি
লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রী শেষ বর্ষের ছাত্রী মুর্শিদা আক্তার নিশি দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তার সন্ধানে কাজ করছে ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দার বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি : ইউপি চেয়ারম্যান টিপু
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দার বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি : ইউপি চেয়ারম্যান টিপু
“মহানন্দা নদীর বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি” বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ...
ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ, আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি দাবী ব্যবসায়ীদের
ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ, আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি দাবী ব্যবসায়ীদের
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত নিউ মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ‘রাজশাহী ...
১০
সাংবাদিক পরিচয়ে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
সাংবাদিক পরিচয়ে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে রিকশাচালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে ডিএমপির ট্রাফিক ওয়ারী ...
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোলে কৃষি দপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোলে কৃষি দপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে নিরাপদ খাদ্য (ফসল) উৎপাদন বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ...
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শণ
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শণ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শুল্ক স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবির ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে রবিবার দুপুরে ব্যাটালিয়নের সৈনিক মেসে এক ...
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ...
ত্রিশালে ৬৫৯ পরিবার পেল ‘ফ্যামিলি কার্ড’
ত্রিশালে ৬৫৯ পরিবার পেল ‘ফ্যামিলি কার্ড’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ৬৫৯টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে ...
চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের ভ্রাম্যমান কার্যক্রম জোরদারের আহবান
চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের ভ্রাম্যমান কার্যক্রম জোরদারের আহবান
চট্টগ্রামে নিররপদ খাদ্য আদালত মাঠ পর্যায়ে তদারকি কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্টান সরেজমিনে পরিদর্শন করে নানা অনিয়ম ও অপরাধের ...
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস
হিউস্টনে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে চমক দেখাল ডিআর কঙ্গো। শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ...
ডিমের কুসুম নাকি সাদা অংশ, কোনটি খাওয়া ভালো?
ডিমের কুসুম নাকি সাদা অংশ, কোনটি খাওয়া ভালো?
সকালের নাশতায় ওমলেট, সেদ্ধ ডিম কিংবা বিকেলের নাস্তায় ডিমের পোচ—বাঙালির খাদ্যতালিকায় ডিম আমাদের সেভিওর। কম খরচে এত ভালো প্রোটিনের উৎস ...
১০
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ‘গেট এনগেজড ২০২৬’
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ‘গেট এনগেজড ২০২৬’
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গেট এনগেজড’ সম্মেলনের ১৩তম আসর। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com