/ অর্থনীতি / বাণিজ্য / ‘উচ্চাভিলাষী’ বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ
‘উচ্চাভিলাষী’ বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ
নতুন বার্তা, ঢাকা:
Published : Sunday, 21 June, 2026 at 2:12 AM, Update: 22.06.2026 1:58:30 AM
‘উচ্চাভিলাষী’ বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগমূল্যস্ফীতির চাপ কমানো, বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই মেগা বাজেটকে ঘিরে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা বাস্তবায়ন সক্ষমতা, উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও ঋণনির্ভরতার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তাদের মতে, ঘোষিত উদ্যোগগুলো ইতিবাচক হলেও এর কাঙ্ক্ষিত সুফল সম্পূর্ণ নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।
‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পেশ করা এই বাজেটের আকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩.৭ শতাংশ, যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, অগ্রাধিকার এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা ও বৈশ্বিক অস্থিরতার বাস্তবতাকে সামনে রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তার ভাষায়, ‘স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও সর্বোপরি ন্যায্যতাকে বিবেচনায় নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করেছি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করেছি।’
বাজেট প্রস্তাবকালে অর্থমন্ত্রী জানান, অর্থনীতিকে আরও উৎপাদনমুখী, কর্মসংস্থান ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারায় এগিয়ে নিতে সরকার বিভিন্ন খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন, যেখানে উদ্যোগ ও উদ্ভাবন উৎসাহিত হবে, পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হবে এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। বাজেট বক্তব্যের শুরুতেই আগামী দিনের অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরে ১০টি অগ্রাধিকার খাতের কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে— সবার জন্য উন্নয়ন, সার্বজনীন শিক্ষা, বিনিয়োগ নির্ভর ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।
আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ব্যয়ের কাঠামোয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে, পরিচালন ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।
সরকার ধীরে ধীরে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করছে। সে অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন ব্যয় ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ২৭.২৭ শতাংশ। একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ের অংশ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয়ের ৭২.৭৩ শতাংশ পরিচালন খাতে ব্যয় হলেও আগামী অর্থবছরে তা কমিয়ে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ব্যয় কাঠামো ও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করছে সরকার। এবার এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা।
এনবিআরের আওতায় এবার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট খাতে। এ খাত থেকে ২ লাখ ২৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস হিসেবে আয়কর, মুনাফা ও মূলধনী মুনাফার ওপর কর থেকে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এছাড়া, সম্পূরক শুল্ক থেকে ৮২ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা, আমদানি শুল্ক থেকে ৬১ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা, আবগারি শুল্ক থেকে ৭ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা এবং রপ্তানি শুল্ক থেকে ৯৯ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আগামী নতুন অর্থবছরে সরকারকে অতিরিক্ত ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে হবে, যা কর প্রশাসনের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে। 
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আমদানি শুল্ক ও সম্পূরক শুল্কের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমিয়ে আয়কর ও ভ্যাট ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ রাজস্ব কাঠামো শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে সরকার। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজস্ব আদায়ে ধারাবাহিক ঘাটতি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে এই নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা এনবিআরের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
রাজস্ব আয় ছাড়া সরকার বাজেটের অর্থায়নে করবহির্ভূত ও অন্যান্য আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক অনুদান থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।

বাজেটের বিশাল ঘাটতি: যে ছক কষেছেন অর্থমন্ত্রী

বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ (অনুদান ছাড়া) ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা যা মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অনুদানসহ এ ঘাটতি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা যা মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। বিশাল এ ঘাটতি পূরণে সরকার কোন খাত থেকে কত টাকা ঋণ নেবে তারও একটি ছক তৈরি করেছে।
ছক অনুযায়ী, বিশাল ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর ভরসা করছে সরকার। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ হিসেবে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা ঠিক করেছে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা অর্থ সংগ্রহ করা হবে। সঞ্চয়পত্র থেকে ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের।
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫% নামিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে এই বাজেট প্রস্তাব দাঁড় করানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

১০০ টাকা হিসাবে কোনো খাতে কত ব্যয়

আগামী অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের ব্যয় কাঠামোয় সবচেয়ে বড় অংশ যাবে সুদ পরিশোধে। মোট ১০০ টাকার মধ্যে ২০ টাকা ৫০ পয়সা ব্যয় হবে শুধু সুদ পরিশোধে, যা ব্যয়ের একক খাতে সর্বোচ্চ। এরপর ভর্তুকি ও প্রণোদনায় ব্যয় হবে ১৭ টাকা। সাহায্য মঞ্জুরি খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১৫ টাকা ৭০ পয়সা।
বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় ধরা হবে ১৪ টাকা ৪০ পয়সা। পাশাপাশি পণ্য ও সেবা খাতে যাবে ৯ টাকা। অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হবে ৬ টাকা ৪০ পয়সা। পেনশন খাতে বরাদ্দ ৫ টাকা ৭০ পয়সা, আর শেয়ার ও ইক্যুইটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা।
এছাড়া, সম্পদ সংগ্রহে ৩ টাকা ৪০ পয়সা এবং বিবিধ খাতে ২ টাকা ৬০ পয়সা ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেটের এই ব্যয় কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়, সুদ ও ভর্তুকি-প্রণোদনা খাতেই বড় অংশ ব্যয় হবে, যা রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে।

যা বলছেন ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও অর্থনীতিবিদরা

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ঋণ নির্ভর বাজেট আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, বাজেটে বৈদেশিক ঋণের ওপর তুলনামূলক বেশি নির্ভরতা এবং বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা ভবিষ্যতে আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বাজেটের মূল সাফল্য নির্ভর করবে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর।
তিনি আরও বলেন, বাজেটে মানবিক অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে যুব সমাজ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন বরাদ্দের উদ্যোগ ইতিবাচক। তবে, সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক নীতি কাঠামো বাস্তবায়নের আর্থিক ভিত্তিটি অত্যন্ত দুর্বল। এর বড় অংশজুড়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ ও বিলের ওপর নির্ভরতা। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে গভীর দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে।
সংস্কারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার কতটা দক্ষতার সঙ্গে এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারে, সেটিই এখন আগামী দিনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার বিষয়— বলেন এই অর্থনীতিবিদ।   

ড. হোসেন জিল্লুর

‘প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার আংশিক সদিচ্ছা দেখা গেলেও এতে কৌশলগত গভীরতার অভাব রয়েছে’— মন্তব্য করেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।
তিনি বলন, বাজেটে কিছু ‘খণ্ডিত আন্তরিক প্রচেষ্টা’ থাকলেও অর্থনীতিকে নতুন গতিপথে নেওয়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা অনুপস্থিত। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও সেবার মানোন্নয়নের কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজেটের প্রায় ৬৬ শতাংশই পরিচালন খাতে বরাদ্দ রাখায় সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার উদ্যোগের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অস্থিরতাকে একটি বড় ‘বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেন। এর পাশাপাশি ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও তার বাস্তবায়ন নিয়েও গভীর সংশয় প্রকাশ করেন এই অর্থনীতিবিদ।

মাহমুদ হাসান খান বাবু

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন করছাড় ও নীতিগত উদ্যোগ ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে। তবে, এসব উদ্যোগের প্রকৃত সুফল নির্ভর করছে সেগুলোর সঠিক ও সময়মতো বাস্তবায়নের ওপর।’
‘সামগ্রিকভাবে বাজেটটিকে শিল্প ও বিনিয়োগের জন্য একটি ইতিবাচক ভিত্তি তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যায়। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রপ্তানি প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামানো একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যা ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। তবে, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ এবং এলডিসি-পরবর্তী বাস্তবতায় রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা পুরোপুরি ধরে রাখতে সামনে আরও বেশি সহায়কমূলক নীতি প্রয়োজন।

তাসকীন আহমেদ

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘ব্যবসাবান্ধব’ উল্লেখ করলেও বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসা ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে, তাই একে ব্যবসাবান্ধব বাজেট বলা যায়। তবে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্বলতা এবং করদাতাদের জন্য প্রত্যাশিত স্বস্তির অভাব— এসব কারণে বাজেটের কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় রয়েই যায়।’ 
তার মতে, রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দুর্বলতা এবং করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। তবে, উৎসে করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা, শিল্পের কাঁচামালে কর কমানো, সিএমএসএমই খাতে বিশেষ প্রণোদনা, ইলেকট্রিক যানবাহন ও প্রযুক্তিপণ্যে কর সুবিধা এবং ব্যবসা সহজীকরণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানায় সংগঠনটি।
পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি মূল্য কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি। তবে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণনির্ভরতা ব্যাংক খাতের পুনরুদ্ধার এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

ড. আলী আফজাল

প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাতের জন্য প্রত্যাশিত নীতিসহায়তা ও কার্যকর কোনো প্রণোদনার প্রতিফলন নেই বলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। সংগঠনটির সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন, নির্মাণসামগ্রীর ওপর নতুন কর ও শুল্ক আরোপ, বিশেষ করে রডের ওপর সুনির্দিষ্ট ভ্যাট বসানোর ফলে নির্মাণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ফ্ল্যাটের দাম এবং সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হলে আবাসন খাত আরও সংকুচিত হতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে এই খাতকে শক্তিশালী করতে নিবন্ধন ব্যয় কমানো, গৃহায়নবান্ধব করনীতি প্রণয়ন, দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীল বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

মমিনুল ইসলাম

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়ন, সুশাসন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম পুঁজিবাজারে আস্থা পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এনআইটিএ হিসাব সহজীকরণ, টি+ ওয়ান ও টি+জিরো সেটেলমেন্টে অগ্রগতির উদ্যোগ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় বৃদ্ধিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার মতে, এসব সংস্কার বাস্তবায়িত হলে বাজার আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি শক্তিশালী করবে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
জমি দিয়ে ফ্ল্যাট নিলেই ‘কোটি টাকার’ করের ফাঁদ!
জমি দিয়ে ফ্ল্যাট নিলেই ‘কোটি টাকার’ করের ফাঁদ!
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে পুরোনো একটি একতলা বাড়ির মালিক আব্দুল খালেক। ষাটোর্ধ্ব এই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তার পৈতৃক বাড়িটি ভেঙে বহুতল ভবন ...
১১ মাসে রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা
১১ মাসে রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে, যা ...
পূর্বের বিবাহ গোপন করায় যৌতুক মামলায় শিক্ষক কারাগারে
পূর্বের বিবাহ গোপন করায় যৌতুক মামলায় শিক্ষক কারাগারে
পূর্বের বিবাহ গোপন করায় যৌতুক মামলায় আব্দুর রশিদ প্রভাষককে বিরল উপজেলার বাসা থেকে পুলিশ আটক করে জেল হাজতে দেন। ঘটনার ...
সাতক্ষীরার আশাশুনির কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশসহ আটক ৮
সাতক্ষীরার আশাশুনির কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশসহ আটক ৮
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ওমর সাকি পলাশসহ ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আওয়ামী ...
মুহররম: ত্যাগ, সত্য ও ন্যায়ের এক অবিস্মরণীয় শিক্ষা
মুহররম: ত্যাগ, সত্য ও ন্যায়ের এক অবিস্মরণীয় শিক্ষা
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররম। এ মাসকে ইসলামের চারটি সম্মানিত মাসের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়। মুহররমের ১০ তারিখ, যা ...
রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রতিমন্ত্রী টুকু
রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রতিমন্ত্রী টুকু
দেশকে ঘিরে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবির ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে রবিবার দুপুরে ব্যাটালিয়নের সৈনিক মেসে এক ...
বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: টুকু
বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: টুকু
বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় ...
হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবিতে পঞ্চগড়ে আলু চাষিদের মানববন্ধন
হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবিতে পঞ্চগড়ে আলু চাষিদের মানববন্ধন
কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কেজি প্রতি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে আলুর ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল ...
১০
সাতক্ষীরার গ্রাহকরা ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা
সাতক্ষীরার গ্রাহকরা ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা
সাতক্ষীরা জেলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে গঠিত বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা  ...
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোলে কৃষি দপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোলে কৃষি দপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে নিরাপদ খাদ্য (ফসল) উৎপাদন বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ...
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শণ
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শণ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শুল্ক স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ...
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান ট্রাক ভর্তি সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান ট্রাক ভর্তি সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ ও চৌকা সীমান্তে পৃথক দুই অভিযানে দুই জনকে আটক করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবি। এ সময় ...
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ওপর হতাশ নেতানিয়াহু
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ওপর হতাশ নেতানিয়াহু
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বাজি ধরে ছিলেন যে তিনি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...
ড্রয়ে হতাশ স্পেন, কোচের কণ্ঠে আশার সুর
ড্রয়ে হতাশ স্পেন, কোচের কণ্ঠে আশার সুর
হতাশ হওয়ার মতোই স্কোরলাইন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল শূন্য অপ্রত্যাশিত ড্র। বিশ্বকাপে এমন শুরুতে স্বভাবতই হতাশ স্পেন। ম্যাচ শেষে আফসোস ...
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায়, স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায়, স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস
তদন্তে দুর্বলতা ও যথাযথ সাক্ষ্য না থাকায় যশোরের অভয়নগরে ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী আব্দুল্লাহকে খালাস দিয়েছেন ...
একনেকে সাত হাজার তিন কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে সাত হাজার তিন কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ ...
১০
সীমান্তে একের পর এক বিস্ফোরণ, ১২ ভারতীয় সেনা হতাহত
সীমান্তে একের পর এক বিস্ফোরণ, ১২ ভারতীয় সেনা হতাহত
গত এক সপ্তাহের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার (এলওসি) কাছে তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ভারতীয় সেনা নিহত এবং ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com