/  শিল্প ও সাহিত্য / বাংলাদেশে নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল যেসব আলোচিত বই
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল যেসব আলোচিত বই
নতুন বার্তা, ঢাকা:
Published : Thursday, 13 February, 2025 at 7:29 PM
 বাংলাদেশে নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল যেসব আলোচিত বইবাংলাদেশে নানা সময় ইতিহাস বিকৃতি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, রাজনৈতিক বিতর্ক বা অশ্লীলতা - এমনসব কারণ দেখিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনও কোনও বইকে নিষিদ্ধ বা মুদ্রণ, প্রকাশনা, বিতরণ ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, কোনোটি আবার প্রকাশের পর করা হয়েছিল বাজেয়াপ্ত। এসব বইয়ের মধ্যে ফিকশন, নন-ফিকশন - উভয় ধরনের বইই রয়েছে।
সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি কিংবা প্রকাশকদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ এবং বাজেয়াপ্ত এসব বইয়ের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে একক কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে প্রকাশনা খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ বইয়ের সংখ্যা অনেক নয়।
এর মধ্যে একাধিক বই নিষিদ্ধ হওয়ার পর মামলা করে আদালতের রায়ে পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেছে। অবিভক্ত ভারতে একসময় বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বেশ কয়েকটি বই নিষিদ্ধ হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বই নিষিদ্ধ হয় নব্বইয়ের দশকে।
তবে, স্বাধীনতার কয়েক বছরের মধ্যেই কবিতা লিখে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়ে এক পর্যায়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন কবি দাউদ হায়দার। সেসময় দাউদ হায়দারের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে একটি মামলাও করা হয়।
আলোচিত ‘কালো সূর্যের কালো জ্যোৎস্নায় কালো বন্যায়’ নামে কবিতাটি ১৯৭৪ সালে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার সাহিত্য পাতায় ছাপা হয়েছিল। 
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত হওয়া কয়েকটি বই সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

নারী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের লেখা ‘নারী’ বইটি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে যেসব বই নিষিদ্ধ হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম আলোচিত নন-ফিকশন বই। এটি ১৯৯২ সালে একুশে বইমেলায় প্রথম প্রকাশিত হয়। নারীবাদ নিয়ে লেখা ৪০৮ পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর পরই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বইটি ইসলাম ধর্ম এবং ধর্মবিদ্বেষী বলে অভিযোগ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বইটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করার জন্য আবেদন করেন। এরপর ১৯৯৫ সালের ১৯শে নভেম্বর তৎকালীন সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে।
বইয়ের প্রকাশক আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি বলেছেন, “নারী বইটা অশ্লীলতার অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তখনকার বিএনপি সরকার যে দিন চলে যাবে সে-ই দিন বইটা নিষিদ্ধ করে দিয়ে যায়।”
এরপর সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছিলেন।
“কষ্টের জায়গা এটা যে সাড়ে তিনটা বছর আমাদের কোর্টে ঘুরতে হইছে। কোর্টে গেলে তো একদিনে মামলা শেষ হয় না। মামলা লড়তে টাকার হিসাব করি নাই”, বলছিলেন ওসমান গণি। সাড়ে চার বছরের আইনি লড়াই শেষে ২০০০ সালের সাতই মার্চ বইটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ অবৈধ বলে রায় দেয় আদালত।
আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি বলেন, “সাড়ে তিনটা বছর বইটা বাজারে ছিল না। অথচ রায় হলো বইতে কোনো অশ্লীলতা নেই। রায়ের পর আবার বইটা বাজারে দেই আমরা।”
ওসমান গণি জানান, “এখন বইয়ের উপরে লেখাই আছে, সাড়ে তিন বছর নিষিদ্ধ থাকার পর পুনরায় প্রকাশিত।”
অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ তার বহুমাত্রিক লেখালেখির জন্য সুপরিচিত ছিলেন। পরবর্তীতে তার আরো কয়েকটি বই নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা-বিতর্ক হয়েছে। বিশেষ করে তার 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাস প্রকাশের পর ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলো। দুই হাজার চার সালের ফেব্রুয়ারিতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে তাকে কুপিয়ে জখম করেছিলো একদল সন্ত্রাসী। এরপর চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওই বছরেই অগাস্টে তিনি বৃত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন জার্মানিতে। সেখানেই কয়েকদিন পর তার মৃত্যু হয়েছিল।

লজ্জা

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি নারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিনের বেশ কয়েকটি বই নিষিদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশে। তার লেখা 'লজ্জা' উপন্যাসটি ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়, এবং প্রকাশনার ছয় মাসের মাথায় বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই বইটিকেই বাংলাদেশে প্রথম নিষিদ্ধ বই হিসেবে দাবি করা হয়। উপন্যাসটি ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছিলো।
১৯৯৩ সালের ১১ই জুলাই এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, “জনমনে বিভ্রান্তি ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটানো এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রকাশের জন্য নিষিদ্ধ করা হলো তসলিমা নাসরিনের লজ্জা উপন্যাসটি।”
নিষিদ্ধ হওয়ার আগে বইটি প্রায় ৫০ হাজার কপি বিক্রি হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রকাশনা শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সেসময় পেশায় চিকিৎসক এই লেখকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ইসলামপন্থী বেশ কয়েকটি দল তার তীব্র সমালোচনা করে রাজপথে মিটিং-মিছিল করে লেখকের ফাঁসি দাবি করে। এক পর্যায়ে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। ভারতেও তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছিল, বিশেষ করে যখন থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করতে শুরু করেন। বাংলাদেশের বাইরে ভারতের কয়েকটি রাজ্য, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং ভুটানেও এই বইটি নিষিদ্ধ হয় পরবর্তীতে।

'ক'

তসলিমা নাসরিনের লেখা আরেকটি বই 'ক' ২০০৩ সালে প্রকাশিত এবং নিষিদ্ধ হয়। লেখক বইটিকে আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস বলে বর্ণনা করেছেন। বইয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে তার নিজের ওপর ঘটা যৌন নিপীড়নের কথা তুলে ধরেছেন। এতে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন পরিচিত লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিকের নাম উল্লেখ করেছিলেন তিনি। অভিযুক্তরা সবাই যৌন নিপীড়নের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তাদের মধ্যে একজন তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার একটি মানহানির মামলা করেছিলেন, এবং মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বই বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। পরে ২০১৫ সালে সে মামলাটি আদালত খারিজ করে দেয়।
এই বইটির প্রকাশক চারদিক প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মেজবাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সরকার বইটি নিষিদ্ধ করেনি। আদালতের আদেশে বই বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। সে সময় পুলিশ বিভিন্ন ছাপাখানা থেকে বইগুলো নিয়ে যায়।”
মেজবাহউদ্দিন আহমদের দাবি, চাইলে ‘ক’ বইটি তিনি এখন প্রকাশ করতে পারেন। মামলার ১৪ বছর পর তা খারিজ হওয়ায় এখন বই ছাপতে বাধা নেই, মনে করেন তিনি। সে সময় কলকাতায় বইটি ‘দ্বিখণ্ডিত’ নামে প্রকাশিত হয়। সেখানেও আদালতের আদেশে প্রাথমিকভাবে তা নিষিদ্ধ ছিল। পরে সেটি বাজারে ছাড়ার অনুমতি দেয়া হয়।

রাজনৈতিক কারণে নিষিদ্ধ

বাংলাদেশে ১৯৯৯ সালের মার্চে ‘আমার ফাঁসি চাই’ নামক একটি বই প্রকাশিত হয়, এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে। বইয়েে মাধ্যমে লেখক মতিয়ুর রহমান রেনটু ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজনৈতিক বিতর্ক ছড়িয়েছেন এমন অভিযোগে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর ২০২০ সালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের লেখা ‘রেভোলিউশন, মিলিটারি পারসোনেল অ্যান্ড দ্য ওয়ার অব লিবারেশন ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি বই নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। বইটি ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়। বিএনপির সাবেক নেতা অলি আহমদের বইটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয় আদালত।

কে নিষিদ্ধ করে বই?

কোনও বই নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্তের নির্দেশ যখন দেয়া হয় তখন কর্তৃপক্ষ কারণ ব্যাখ্যা করে। এটি কেবল বাংলাদেশেই ঘটে, তেমন নয়।পৃথিবীর অনেকে দেশে অনেক নামী লেখকের কিংবা পাঠকপ্রিয় বই নিষিদ্ধ হওয়ার উদাহরণ আছে। ঠিক এই মুহূর্তে উত্তর কোরিয়া এবং সৌদি আরবে খ্রিস্টান ধর্মের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ বাইবেল নিষিদ্ধ।
ইতিহাসবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসির মামুন মনে করেন, "কোনো সরকারের মর্জি, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির উপরে নির্ভর করে একটি বই নিষিদ্ধ করা হবে কি না।”
কিন্তু কোনো প্রকাশিত বই নিয়ে আপত্তি উঠলে ব্যবস্থা নেয় সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ?
এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা। জানা যাচ্ছে এ সংক্রান্ত একক কোনো কর্তৃপক্ষ নেই।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ জানিয়েছে, এটি তাদের কাজ নয়। যদিও লেখক, গবেষক এবং প্রকাশকরা বলছেন বিভিন্ন সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেই নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এদিকে, সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, বই নিয়ে বিভিন্ন সময় যখন অভিযোগ ওঠে, তখন আলাদা আলাদা বিভাগ বা অধিদপ্তর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, পাবলিক লাইব্রেরি, নজরুল ইন্সটিটিউটের মতো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
'নারী' বইটি যখন নিষিদ্ধ করা হয়, তখন প্রথমে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে সে উদ্যোগ নেয়া হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন দেয়া হয়।
তসলিমা নাসরিনের বইয়ের প্রকাশনা সংস্থা চারদিক প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মেজবাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, লেখকের ‘আমার মেয়েবেলা’ এবং ‘উতল হাওয়া’ নামে বই দুইটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
এছাড়া প্রতি বছর বাংলাদেশে একুশে বইমেলার সময় মেলা-কেন্দ্রিক একটি বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করে। যার কাজ কোনো বই নিয়ে অভিযোগ উঠলে তা যথাযথ কমিটিকে জানিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া।
বাংলা একাডেমি শুধু বইমেলা কেন্দ্রিক বইগুলোর ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়। বাকি ১১ মাস কোনও বই সম্পর্কে অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে বাংলা একাডেমি পদক্ষেপ নিতে পারে না।
বাংলা একাডেমির একজন পরিচালক কে এম মুজাহিদুল ইসলাম বলেছেন, “বাংলা একাডেমি শুধু বইমেলা কেন্দ্রিক বইকে সতর্ক বা নিষিদ্ধ করে।"
"একটি টাস্কফোর্স থাকে, যারা বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেসব বই সংগ্রহ করে কমিটির কাছে জমা দিলে সেগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোনও বই মেলায় এলে সে বিষয়ে তখন পদক্ষেপ নেয়া হয়।”
বাংলা একাডেমির দেয়া তালিকায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে চারটি বই মেলা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে, এসব বই আসলে নিষিদ্ধ নয়, শুধুমাত্র মেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিলো। ওই বইগুলো এখনো অনলাইন বাজারে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


 
১
কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনলো বিজিবি
কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনলো বিজিবি
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই বাংলাদেশি পুলিশ ...
২
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদল বৈঠক ...
৩
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিতদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাজ নেইঃ আইএমএফ
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিতদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাজ নেইঃ আইএমএফ
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। এ ছাড়া উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের প্রায় অর্ধেক এমন কাজে নিয়োজিত, যেখানে তাদের শিক্ষাগত ...
৪
ফেসবুক লাইভে উসকানির পর মব জাস্টিসে হত্যা: দেবহাটা থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ২
ফেসবুক লাইভে উসকানির পর মব জাস্টিসে হত্যা: দেবহাটা থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ২
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের মাধ্যমে উসকানি ছড়িয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ...
৫
মাদকের টাকা না পেয়ে মায়ের ওপর হামলা, ঠেকাতে গিয়ে কাকি খুন
মাদকের টাকা না পেয়ে মায়ের ওপর হামলা, ঠেকাতে গিয়ে কাকি খুন
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদকের টাকা না পেয়ে মায়ের সঙ্গে বিবাদের জেরে দায়ের কোপে কাকিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে শ্যামনগর ...
৫
ডেমাজানী গ্রাম থেকে অস্পৃশ্যতার শিকল ভাঙার লড়াইয়ের বার্তা অবশেষে মন্দিরে প্রবেশের আন্দোলন সফল
ডেমাজানী গ্রাম থেকে অস্পৃশ্যতার শিকল ভাঙার লড়াইয়ের বার্তা অবশেষে মন্দিরে প্রবেশের আন্দোলন সফল
আমার বাড়ি বাংলাদেশের উত্তরের জেলা বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানী গ্রামে। আমাদের গ্রামে আমরাই একমাত্র রবিদাস পরিবার। রবিদাস একটি ঐতিহ্যবাহী জনগোষ্ঠী, ...
৭
রৌমারীতে ২০০ পিস ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ একজন আটক
রৌমারীতে ২০০ পিস ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ একজন আটক
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা  করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই বোতল বিদেশি মদসহ মো.মোন্নাফ হোসেন (৪০) নামে ...
৮
গুলশানে কথিত ‘জার্মান ক্লাবে’ ডিএনসির অভিযান, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
গুলশানে কথিত ‘জার্মান ক্লাবে’ ডিএনসির অভিযান, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজধানীর গুলশানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ...
৯
দুর্গাপূজায় সীমান্তবর্তী এলাকা-গোপালগঞ্জসহ তিন জেলায় বিজিবি মোতায়েন
দুর্গাপূজায় সীমান্তবর্তী এলাকা-গোপালগঞ্জসহ তিন জেলায় বিজিবি মোতায়েন
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হবে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত ...
১০
কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যা বলছে বিজিবি
কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যা বলছে বিজিবি
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া এক এএসআই ও এক কনস্টেবলকে দ্রুত ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে ...
 
১
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ...
২
বোদা উপজেলায় পূজা মণ্ডপগুলোতে জিআর চাল বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী আজাদ
বোদা উপজেলায় পূজা মণ্ডপগুলোতে জিআর চাল বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী আজাদ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ১০ টি ইইনিয়ন ১ চি পৌরসভায় পূজা মণ্ডপে জিআর ...
৩
সাতক্ষীরায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল শিক্ষিকা নিহত
সাতক্ষীরায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল শিক্ষিকা নিহত
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী মোল্লার মোড়ে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী। সোমবার ...
৪
আগৈলঝাড়ায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে নজরুল বর্ষ ...
৫
ফুলবাড়ীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন
ফুলবাড়ীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন
"শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি ...
৫
মেহেরপুরের দুই সীমান্তে বিজিবির অভিযান, উদ্ধার ৮ লাখ টাকার মাদক
মেহেরপুরের দুই সীমান্তে বিজিবির অভিযান, উদ্ধার ৮ লাখ টাকার মাদক
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার দুটি সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার ...
৭
কমরেড ফরহাদ বর্তমানে বেঁচে থাকলে দেশের অবস্থা বদলে যেত : প্রয়াত কমরেড ফরহাদের স্ত্রী রীনা খানম
কমরেড ফরহাদ বর্তমানে বেঁচে থাকলে দেশের অবস্থা বদলে যেত : প্রয়াত কমরেড ফরহাদের স্ত্রী রীনা খানম
কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদের স্ত্রী রীনা খানম বলেছেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সংসদ সদস্য কমরেড ...
৮
আলামত নিশ্চিতে তাজমীনের সোয়াব-পোশাক যাচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে
আলামত নিশ্চিতে তাজমীনের সোয়াব-পোশাক যাচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে
কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর জান্নাতুন তাজমীন হত্যার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্ত কর্মকর্তা। নিহত এই স্কুলছাত্রীকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা, ...
৯
সম্পদের পাহাড়, তবু ডাক বিভাগের দুরবস্থা
সম্পদের পাহাড়, তবু ডাক বিভাগের দুরবস্থা
বাংলাদেশ ডাক বিভাগ আজ এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সারা দেশে বিস্তৃত হাজার হাজার ডাকঘর, বিপুল জনবল, মূল্যবান জমি ...
১০
ফুলবাড়ীতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিশ^ মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। (প্রতিবাদ্য বিষয় ছিল জীবনের অভিজ্ঞতার কণ্ঠ্যস্বর: ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com