|
প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই পোশাকশিল্প গড়ে তুলতে ইউসিবির আরএমজি বিজনেস কনক্লেভ
জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত মানদণ্ড ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনে গুরুত্ব
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ইউসিবি আরএমজি বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬’ আয়োজন করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে ‘বিয়ন্ড রেজিলিয়েন্স: বিল্ডিং আ কম্পিটিটিভ অ্যান্ড সাসটেইনেবল আরএমজি ইন্ডাস্ট্রি’ প্রতিপাদ্যে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও ব্যাংক কর্মকর্তারা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান মাসুদ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আরএমজি বিজনেস ডিভিশনের প্রধান শাহবাজ তালাতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সম্মেলনে ‘দ্য ল্যান্ডস্কেপ—টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস সেক্টর: ওভারভিউ, আউটলুক অ্যান্ড অপরচুনিটি’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন পার্ল গ্লোবাল গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াজ শাহদাত, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান কায়সার, আনোয়ার গ্রুপের টেক্সটাইল বিভাগের চিফ বিজনেস অফিসার আবদুল্লাহ ইউসুফ খান এবং এভিন্স গ্রুপের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) বিশ্বজিৎ লোধ। আলোচনায় দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসনসংক্রান্ত (ইএসজি) মানদণ্ড পরিপালন, রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈশ্বিক বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়েও মতামত তুলে ধরেন আলোচকেরা। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করেন। সম্মেলনে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ইউসিবি। এ খাতের ব্যবসায়িক চাহিদা অনুযায়ী চলতি মূলধন অর্থায়ন, বৈদেশিক বাণিজ্য অর্থায়ন ও ডিজিটাল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব তুলে ধরে ব্যাংকটি। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং খাতটির ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। |