/ মতামত / আরব বিশ্বের নতুন চমক মক্কা চুক্তি
আরব বিশ্বের নতুন চমক মক্কা চুক্তি
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Thursday, 27 August, 2026 at 9:40 PM
আরব বিশ্বের নতুন চমক মক্কা চুক্তিতুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে মক্কা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাস্তবতা হাজির করেছে।বহু বছর ধরে সৌদি আরবের কৌশলগত ধৈর্যকে অনেকেই ভুলভাবে নির্ভরশীলতা হিসেবে দেখেছে। রিয়াদ উসকানি সহ্য করেছে, অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে যায়নি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং অভ্যন্তরীণ উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছে। তবে এই সংযম কখনোই এমন বিশ্বাস ছিল না যে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থা স্থায়ী থাকবে। মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি দেখিয়ে দিয়েছে যে পুরোনো কাঠামো বদলাচ্ছে। সুন্নি মুসলিম বিশ্বের তিনটি প্রভাবশালী দেশ এখন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। এদের একটির ওপর হামলা মানে তিনটির ওপর হামলা হিসেবে ধরা হবে। এটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থার সূচনা। যদিও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চমক একদম পছন্দ করে না, তবু ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ছিল আরব আমিরাত (ইউএই) ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য এক বিরাট চমক। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার জবাবে একটি মুসলিম জোট গড়ে তোলার ইচ্ছার কথা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়েছিলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে আড়ালে থেকে চতুর চাল চেলেছেন সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক-ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। ইরান যুদ্ধের দুপক্ষই যাতে তাঁর পদক্ষেপে সমন্বয় খুঁজে পায়, তিনি সেভাবেই এগোচ্ছিলেন। গত মাসে ওয়াশিংটনে সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল  আজিজ বিন সালমান একটি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। কিন্তু এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাতে বাদ সাধেন। তিনি পেছনের শর্ত হিসেবে সৌদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার তাগিদ দেন। 

দক্ষিণ ইরাকে ইরান-সমর্থিত পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স বা মিলিশিয়াগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় সৌদি ও মার্কিন যুদ্ধবিমান। এই মিলিশিয়াগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন ইরানের আইআরজিসির উপদেষ্টারা। সৌদি গোয়েন্দারা খবর পেয়েছিল, মিলিশিয়াগুলো কুয়েতে সীমান্ত পার হয়ে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একই সময়ে ইয়েমেনের সানাতেও হামলা চালায় সৌদি যুদ্ধবিমান। কারণ, হুতিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ইরানবিরোধী হামলায় যারা যোগ দিয়েছিল, সেই জোটের কাছে মনে হচ্ছিল, সৌদির শাসক অবশেষে তাদের পক্ষ নিচ্ছেন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়া তাঁর ভাবনায় ছিল না।এই পুরো অঞ্চলে এখন ঘটে চলেছে মৌলিক কিছু পরিবর্তন। ইরান, গাজা ও লেবাননে ইরানের সাম্প্রতিক তিন যুদ্ধ সৌদি মানসিকতায় বড় পরিবর্তন এনেছে।পশ্চিমে শিক্ষিত সৌদি বিশ্লেষকেরা দেখছেন, কীভাবে দুজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের গণহত্যাকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করেছেন। ফলে তাঁরা আর নিজেদের পশ্চিমা শিবিরের লোক ভাবতে পারছেন না। একই সঙ্গে তাঁরা দেখছেন, যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে নিজের বিমানঘাঁটিগুলোই রক্ষা করতে পারছে না। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তৈরি হয়েছে চরম অবজ্ঞা।সৌদি শুরা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ড. আহমেদ আলতুওয়াইজরি সেসব সৌদি বুদ্ধিজীবীর অন্যতম, যাঁদের কথা এখানে বলা হচ্ছে। তিনি বললেন, মক্কা চুক্তি এক চরম সংকটকালে আলোর মুখ দেখেছে। ট্রাম্পের ওপর থেকে সবাই আস্থা হারিয়েছে। এই চুক্তি শুধু এই তিন দেশের নয়, পুরো অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষা করবে। এটি পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক হিসাব পাল্টে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে আরব ও মুসলিম বিশ্বের আরও দেশ এই চুক্তিতে যোগ দেবে। এ সংঘাতে ট্রাম্পের দুর্বলতা উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। তিনি যুদ্ধে জিততে পারছেন না, আবার কোনো সমাধানও বের করতে পারছেন না। 

ইরানি মধ্যস্থতাকারীরা বিষয়টি ধরে ফেলেছেন। তাঁরা হরমুজ প্রণালির বর্তমান অচলাবস্থা ট্রাম্পের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত টেনে নিতে চান। কারণ, তাঁরা হিসাব করছেন, ট্রাম্প কংগ্রেসে তাঁর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারেন। আর তাতে দুর্বল অবস্থায় তাঁকে আলোচনার টেবিলে আনা সহজ হবে। ইসরায়েলি কূটনৈতিক ও সামরিক পরিকল্পনাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বলছিলেন, তাঁরা ‘সুন্নি’ মুসলিম জোটের বিরুদ্ধে একটি জোট তৈরি করতে চায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তাদের সামরিক সহযোগিতা ছিল এ পরিকল্পনার মূল কেন্দ্র। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ আক্রমণ সেই জোটকে আড়াল থেকে সামনে নিয়ে আসে।
যেটা আগে গোপনে চলত, সেটা এখন একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজে) আব্রাহাম আকোর্ডে বেশ উৎসাহের সঙ্গেই সই করেছিলেন। যুদ্ধের আগুনে সেই চুক্তির পরীক্ষাও হয়ে গেছে।ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মুখে যখন আবুধাবি কোণঠাসা, তখন ইসরায়েল সেখানে তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং উচ্চ প্রযুক্তির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করে। একটি আরব দেশে সরাসরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে তাদের সবচেয়ে আধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করাকে তখন নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হয়েছিল।ইসরায়েলের স্বপ্ন ছিল, শত্রুদের একবার পিষে ফেলতে পারলে ভারত থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি বিশাল জোট তৈরি হবে। আর ইসরায়েল বসবে তেল, গ্যাস, অর্থ ও প্রযুক্তির সেই সংযোগস্থলের কেন্দ্রে। এই অঞ্চলের সামরিক চাবিকাঠি থাকবে তেল আবিবের হাতে।
সৌদিরা এখন পুরোপুরি নিশ্চিত যে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইয়েমেন ও সুদানে তাঁদের জীবন কঠিন করে তুলবেন। আমিরাত ইচ্ছা করেই ইয়েমেন ও সুদানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে। তারা মিসরকে সৌদির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে উসকানি দেবে। 

পরিস্থিতি যদি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তবে রিয়াদ আবুধাবিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের পথও ভাবতে পারে। স্থানীয় দ্বন্দ্ব থামানোর এটিই হবে সহজতম উপায়।এ পরিকল্পনায় মিসর ও সিরিয়ার মতো প্রথাগত আরব শক্তির পতন ছিল নিশ্চিত। তারা হয় নিঃস্ব হয়ে দেউলিয়া হবে, না হয় ধর্মীয় ও জাতিগত উপদলে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যাবে। আহমদ আল-শারার সিরিয়া নিয়ে ইসরায়েলের এখনো একই পরিকল্পনা। আমিরাত ও ইসরায়েল-উভয়ের স্বার্থই ছিল অভিন্ন। তারা ইয়েমেন, সুদান ও লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে চেয়েছিল। এমনকি সোমালিল্যান্ডের মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলকে ব্যবহার করে সামরিক ঘাঁটির জাল বিছিয়ে নিজেদের জলপথের সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে চেয়েছিল। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ঠিক এ প্রকল্পেরই এক মারাত্মক প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর প্রথম প্রভাব পড়বে রিয়াদ ও আবুধাবির মধ্যকার কৌশলগত বিরোধকে আরও গভীর ও তীব্র করার মাধ্যমে। গত ডিসেম্বরে ইয়েমেন থেকে আমিরাতিরা বহিষ্কৃত হওয়ার পর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আবদুল খালেক আবদুল্লাহ লিখেছিলেন, ‘ইয়েমেন নিয়ে আমাদের মতপার্থক্য আছে। সংঘাতের কারণে তা এখন শীর্ষ পর্যায়ে। সহযোগীদের মধ্যে ঝামেলা হতেই পারে, কিন্তু তারা আবার এক হয়।’কিন্তু জানুয়ারি আসতে না আসতেই আবদুল খালেক আবদুল্লাহর সুর বদলে গেল। তিনি লিখলেন, ‘সৌদি আরব আর আমিরাতের মধ্যকার দূরত্ব কেবল ইয়েমেন সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি আরও গভীর।’ সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ তখন বলেছিলেন, সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর। 

এরপর আরব আমিরাত তাদের দেশে আল অ্যারাবিয়ার এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় এবং ওপেক ত্যাগ করে।
পরিস্থিতি যদি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তবে রিয়াদ আবুধাবিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের পথও ভাবতে পারে। স্থানীয় দ্বন্দ্ব থামানোর এটিই হবে সহজতম উপায়। সৌদিরা তাঁদের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সে কারণেই তাঁরা মক্কা চুক্তিতে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করেছিলেন। গত সপ্তাহে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান মিসর সফরকালে আশা প্রকাশ করেন, কায়রোও এই চুক্তিতে যোগ দেবে এবং চার দেশ মিলে কাজ করবে। ওয়াশিংটনে এই দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক জোটকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে দুভাবে-একটি হলো গভীর কৌশলগত জোট, আর অন্যটি ক্ষিপ্র কিন্তু লেনদেনসর্বস্ব জোট।সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা থিওডর সিঙ্গার বলেন, ‘প্রথম দর্শনে আমিরাত-ইসরায়েল জোট দুপক্ষকেই তাৎক্ষণিক সুবিধা দেয়। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে মক্কা চুক্তি আরও ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের কল্যাণে হয়তো ইসরায়েলের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে, কিন্তু সেই অস্ত্র ব্যবহারের কোনো আঞ্চলিক বৈধতা তাদের নেই। তারপরও এ যুদ্ধগুলো তাদের সামরিক উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। নেতানিয়াহু আর ট্রাম্প পুরো উপসাগরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছেন। যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের উপক্রম।গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল দীর্ঘ মেয়াদে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে বড় ধরনের অবকাঠামো তৈরি করছে। কোনো ফ্রন্ট থেকেই পিছু হটার লক্ষণ নেই। হামাস আর হিজবুল্লাহকে নিশ্চিহ্ন করার সামরিক লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় ও ট্রাম্পের চাপ সামলাতে গিয়ে ইসরায়েল কেবল নিজের অবস্থান কাঁটাতারে ঘিরেই শক্ত করছে। 

এমন পরিস্থিতিতে আরব বিশ্ব সুরক্ষার জন্য এবং সমাধানের জন্য মক্কা জোটের দিকেই তাকিয়ে থাকবে। এই জোটগুলোর সম্মিলিত শক্তি এখন ছয় লাখ ৫০ হাজারের বেশি। এটি একক বাহিনী নয়, বরং সমন্বিত আঞ্চলিক শক্তি। এই পরিবর্তন ইসরায়েলের জন্যও বার্তা। সামরিক শক্তি মানেই সীমাহীন ক্ষমতা নয়। কাতারে হামলা দেখিয়েছে এর পরিণতি কী হতে পারে। উপসাগরীয় দেশের ওপর আঘাত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নতুন কাঠামো ইরান ও ইসরায়েল উভয়ের জন্য সীমা নির্ধারণ করবে। ফলে একটি ভারসাম্য তৈরি হবে। অনেকে এই চুক্তিকে প্রতীকী ভাবতে পারে। কিন্তু বাস্তবে সহযোগিতা শুরু হয়েছে। সামুদ্রিক জোট আছে, ইয়েমেনে অভিযান চলছে, উপসাগরে সংহতির আলোচনা হচ্ছে। এই চুক্তি সেই প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক করেছে। এটাই আমেরিকা-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের শুরু। এখানে যুক্তরাষ্ট্র থাকবে, কিন্তু একমাত্র নিরাপত্তানির্ভরতা থাকবে না। দেশগুলো নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এবং এই নতুন ব্যবস্থার কেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব।

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে 


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
 
অর্থ সংকটে ভুগছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী
অর্থ সংকটে ভুগছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী
বাজেট সংকটে ভুগছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এর ফলে তাদের বিভিন্ন রকম কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। সরাসরি চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির এ ...
কাঁদছে নেপাল
কাঁদছে নেপাল
কাঁদছে নেপাল। লাশের পর লাশ। অসংখ্য নিখোঁজ। বাড়িঘর, লোকালয় কাদামাটির নিচে। গাড়ি, সহায় সম্পদ কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আপনজনের কোনো ...
‘মক্কা চুক্তি’ আলোচনার মধ্যে সৌদি যুবরাজকে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর
‘মক্কা চুক্তি’ আলোচনার মধ্যে সৌদি যুবরাজকে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর ...
রাশিয়ায় বিস্ফোরণে হতাহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
রাশিয়ায় বিস্ফোরণে হতাহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের প্রতি এবং রাশিয়ার জনগণ ও সরকারের ...
সংসদে ৩ বিল উত্থাপন
সংসদে ৩ বিল উত্থাপন
মানবাধিকার, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান আইনের গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে তিনটি পৃথক বিল উত্থাপিত হয়েছে। এর ...
গাছ কাটছি মানে আমরা নিজেদেরই হত্যা করছি
গাছ কাটছি মানে আমরা নিজেদেরই হত্যা করছি
প্রতিদিন শহর, নগর ও গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নের নামে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। রাস্তা, ভবন, শিল্পকারখানা, আবাসন ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের জন্য ...
এপেক্সের নতুন পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ, সাত মাসেই মিশবে মাটিতে
এপেক্সের নতুন পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ, সাত মাসেই মিশবে মাটিতে
আরও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শতভাগ বায়োডিগ্রেডেবল বা পচনশীল শপিং ব্যাগের ব্যবহার চালু করেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। এর মাধ্যমে ...
সাতক্ষীরার প্রবীণ সাংবাদিক ও দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক নূর ইসলামের ইন্তেকাল
সাতক্ষীরার প্রবীণ সাংবাদিক ও দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক নূর ইসলামের ইন্তেকাল
সাতক্ষীরার  'দৈনিক দৃষ্টিপাত' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নূর ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর ...
প্রতিষ্ঠান রক্ষা ও নিরাপত্তার দাবিতে আগৈলঝাড়ায় ড. জন নীহার বিশ্বাস মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সংবাদ সম্মেলন
প্রতিষ্ঠান রক্ষা ও নিরাপত্তার দাবিতে আগৈলঝাড়ায় ড. জন নীহার বিশ্বাস মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সংবাদ সম্মেলন
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ড. জন নীহার বিশ্বাস মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি রক্ষা, পরিচালক-কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দখল, ভাঙচুর, লুটপাট ও ...
১০
প্রাইম ব্যাংক ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের মধ্যে চুক্তি
প্রাইম ব্যাংক ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের মধ্যে চুক্তি
রিসিভেবলস ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সঙ্গে সম্প্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি করেছে প্রাইম ব্যাংক ...
 
টাঙ্গাইলে ঔষধের ফার্মেসিকে জরিমানা
টাঙ্গাইলে ঔষধের ফার্মেসিকে জরিমানা
টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নতুন বাসস্ট্যান্ডে বিভিন্ন ফার্মেসীতে মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে,টাঙ্গাইল  ঔষধ  প্রশাসন  ও পুলিশ বিভাগ এর সমন্বয়ে নকল, ...
সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ...
কালিহাতীতে দুই মিষ্টির দোকানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
কালিহাতীতে দুই মিষ্টির দোকানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইলের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে অভিযান চালিয়ে দুই মিষ্টির দোকানিকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ ...
কালিহাতীতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের টিনের ঘরে চলছে পাঠদান
কালিহাতীতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের টিনের ঘরে চলছে পাঠদান
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নারান্দিয়া ইউনিয়নে আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে নানা সংকট নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ...
এলেঙ্গা জমিদারবাড়িতে শাওনে ডালা উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মেলা
এলেঙ্গা জমিদারবাড়িতে শাওনে ডালা উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মেলা
শাওনে ডালা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা জমিদারবাড়িতে দুই দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।সোমবার সকালে সাধনা, ব্রতি ও জাতীয় জাদুঘরের আয়োজনে ...
এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্সে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ
এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্সে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ
টাঙ্গাইলের উপশহর এলেঙ্গা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ...
টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্যোগ মোকাবিলায় মক ড্রিল অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্যোগ মোকাবিলায় মক ড্রিল অনুষ্ঠিত
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্ততি, অগ্নিকান্ডে উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল ( ১৯ আগস্ট) কলেজ ...
টাঙ্গাইলের রাণীঘাট পুকুরে গোসল করতে নেমে কিশোরের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের রাণীঘাট পুকুরে গোসল করতে নেমে কিশোরের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) রাণীঘাট পুকুরে গোসল করতে নেমে হাসিব (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। ...
এসএসসি পাসের মিষ্টির টাকায় চিকিৎসা শুরু হওয়া সেই মায়ের কাছে পৌঁছাল প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা
এসএসসি পাসের মিষ্টির টাকায় চিকিৎসা শুরু হওয়া সেই মায়ের কাছে পৌঁছাল প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা
টাঙ্গাইলের সখীপুরে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের আনন্দে মিষ্টি না কিনে এক সহপাঠীর ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য ৪০ হাজার টাকা তুলে ...
১০
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি
গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন করছে, যেখানে শিল্পায়ন, বাণিজ্য, রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ এবং পরিবহন সম্প্রসারণে ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com