|
"সরকারী বিধি বিধান উপেক্ষা করে চললে ব্যবস্থা নেয়া হবে" - সাবেক সাংসদ হারুনুর রশিদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
|
"চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিভক্ত। কেও জামায়াত করে, কেও বিএনপি করে, কেও আওয়ামীলীগ করে। কিন্তু সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত ব্যক্তি, চিকিৎসক যারা সরকারী কর্মকর্তা তাদের মনে রাখতে হবে হাসপাতালে যারা সরকারী বিধিবিধান উপেক্ষা করে চলার চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।" সোমবার দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এমন মন্তব্য করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদ।এ সময় তিনি আরো বলেন, জামায়াত সমর্থিত কয়েকজন চিকিৎসক সরকারী হাসপাতালে থেকে চাকরিবিধি লংঘন করে নিজ নামে জেলার পদ্মা ও ম্যাক্স বেসরকারী হাসপাতালের শেয়ার ক্রয় করে পরিচালনা এবং নিয়মিত সরকারী বেতনভাতা উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ করেন জামায়াতের কয়েকজন ব্যাক্তি। এর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে হাসপাতালের পরিচালক ও একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি সরজমিন তদন্তে অভিযুক্ত চিকিৎসকদের হাসপাতাল সময়ে বাইরে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার প্রমাণ পায়। আর তাই বিধি মোতাবেক তাদের বদলি করা হয়েছে। এটা রাজনৈতিক কোন প্রতিহিংসা নয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনের বিএনপির সাবেক এই সাংসদ সদস্য আরো বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নিত করা হয়েছিল। আগামী জুলাই আগষ্টের মধ্যে এই হাসপাতালকে ডিজিটালাইজড ও অটোমেশন পদ্ধতির মধ্যে আনা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। আর আইসিইউ ছাড়া অপারেশন করা দূরুহ ব্যাপার হওয়ায় এই বছরের মধ্যেই হাসপাতালের অষ্টম তলায় আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর প্রতিশ্রতি দেন সাবেক এমপি হারুন। সবশেষে সেবার মান বাড়াতে যা করা দরকার, সবই করা হবে। মানুষের স্বাস্থ্যই আগে। আর তাই সরকারী চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হতে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ও আবাসিক চিকিৎসকের (আরএমও) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। |