/ মতামত / টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিকের জীবনমান
টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিকের জীবনমান
রায়হান আহমেদ তপাদার:
Published : Thursday, 25 June, 2026 at 4:20 PM
টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিকের জীবনমান আজকের বিশ্বে উন্নয়নের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আমাদের চোখ যায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর দিকে। তারা যে ধারণাটি সামনে এনেছে মানব উন্নয়ন সূচক,তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, উন্নতি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়; এটি মানুষের সামগ্রিক বিকাশের প্রশ্ন। এইচডিআই তিনটি মূল সূচকের উপর দাঁড়িয়ে: গড় আয়ু, শিক্ষা ও মাথাপিছু আয়। অর্থাৎ মানুষ কতদিন বাঁচছে, কতটা শিক্ষিত হচ্ছে এবং তার জীবনযাত্রার মান কেমন-এই তিনটি প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র। উন্নয়ন যখন কেবল কলমে কাগজে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন তাকে কর্মহীন প্রবৃদ্ধি বা বৈষম্যমূলক উন্নয়ন বলা হয়। আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রকৃত উন্নয়ন হলো মানুষের সক্ষমতার বিকাশ। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের প্রধান সূচক হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে জিডিপি। অর্থনীতির পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বক্তৃতা পর্যন্ত, জিডিপি যেন উন্নয়নের সমার্থক শব্দ। একটি দেশের জিডিপি বাড়ছে মানেই দেশ এগোচ্ছে-এমন ধারণাই বহুদিন ধরে আমাদের মানসে প্রতিষ্ঠিত। উৎপাদন বেড়েছে মানেই অর্থনীতি এগিয়েছে- এমন ধারণা নীতিনির্ধারণের কেন্দ্র ছিল। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, জিডিপি বাড়লেই সবার জীবন ভালো হয় না। আয় বাড়তে পারে কিন্তু সেই আয় কার কাছে যাচ্ছে? কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কি? শিক্ষার মান উন্নত হচ্ছে কি? স্বাস্থ্যসেবা কি হাতের নাগালের মধ্যে আসছে?প্রশ্ন উঠতে পারে,বর্তমান সরকার কি মানুষের জন্য কাজ করবে? উন্নয়নের সুফল কি সবার ঘরে পৌঁছাবে? তরুণদের স্বপ্ন কি বাস্তবে রূপ নেবে? তবে উন্নয়নের আসল মানদণ্ড হলো মানুষের হাসি, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্ভাবনার বিকাশ। নির্বাচনের পর নতুন সরকার যদি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকে স্থাপন করতে পারে ঐউও-র মতো সূচককে গুরুত্ব দেয়, আয়-বৈষম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তরুণদের জন্য ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে তবেই প্রকৃত অর্থে উন্নয়ন সম্ভব। 

কিন্ত প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ কি শুধু মেট্রো রেলে চড়ে, পদ্মা সেতু পেরিয়ে আর বাইরের আলোতে ঝলমল করা উন্নয়নের তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে থাকবে, নাকি এমন এক সমাজ গড়বে, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের দক্ষতা ও জীবনমান সত্যিকার অর্থে বিশ্বমানের হবে? আমাদের সমস্যা আদৌ জটিল নয়, এটি আমাদের আত্মসন্তুষ্টি, অসংখ্য বিচ্ছিন্ন ও অদূরদর্শী পরিকল্পনা এবং সনদপত্রের প্রতি অন্ধবিশ্বাসের বিষাক্ত ফসল। দক্ষতার চেয়ে সার্টিফিকেটকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার এই মানসিকতা না বদলালে আমরা চিরকাল এক অভিশপ্ত মধ্যম আয়ের ফাঁদে আটকে থাকব, যেখানে প্রবৃদ্ধির সংখ্যা হয়তো বা চোখ ধাঁধাবে, কিন্তু মানুষের জীবন বদলাবে না। দক্ষিণ কোরিয়ার পার্ক চুং-হি মডেলের দিকে যদি তাকাই, পার্ক শুধু কারখানা বানাননি। তিনি বুঝেছিলেন, শিল্পের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো শিল্পোপযোগী মানুষ। তাই কোরিয়ার রূপান্তরের মূলে ছিল প্রযুক্তিগত শিক্ষা, পলিটেকনিকের বিস্তার এবং শিল্প-শিক্ষার লৌহ-দৃঢ় সংযোগ। তাদের লক্ষ্য ছিল ডিগ্রির ফুলঝুরি নয়, বাস্তব ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কফোর্স তৈরি করা। ফলে তাদের শ্রমশক্তি নিম্নমূল্যের উৎপাদন থেকে উচ্চমূল্যের প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে উত্তরণ ঘটিয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, সীমিত শিল্পভিত্তি ও বিশাল জনসংখ্যা দ্রুত কর্মসংস্থানের দাবি করেছিল। জিয়াউর রহমানের যুগে বাজারমুখী নীতি, বেসরকারি উদ্যোগ, গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রবাসী রেমিট্যান্সের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল-সেই সময়ের জন্য যা যৌক্তিক ছিল। কিন্তু সেই কর্মসংস্থানকে উচ্চ দক্ষতায় রূপান্তরের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কখনোই তৈরি করা হয়নি। ঠিক এখানেই কোরিয়া ও বাংলাদেশের পথ আলাদা হয়ে গেছে। কোরিয়া কর্মসংস্থানকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছিল, আমরা শুধু সংখ্যা বাড়িয়েছি, দক্ষতা তৈরি করিনি। এ কারণে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে বিপুল সস্তা অর্ডার পায়-চোখ-ধাঁধানো সংখ্যা, 

কিন্তু তা স্বল্পমূল্যের, সীমিত লাভের। জনশক্তি রপ্তানিতেও আমরা অদক্ষ ও স্বল্পদক্ষ শ্রমিক পাঠাই। গড় রেমিট্যান্স প্রতি মাসে প্রতি কর্মীর জন্য মাত্র ২০৩ ডলার, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। এটি লজ্জাজনক ব্যর্থতা। তথ্যগত বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের জিডিপির অর্ধেকের বেশি আসে সার্ভিস খাত থেকে; শিল্পের অবদান প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং কৃষির অবদান প্রায় ১১-১২ শতাংশ। অর্থাৎ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এখন শিল্প ও সেবা খাত। জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ শিল্প ও সেবা এই দুটি খাত থেকে এলেও ওই দুটি খাতের প্রতিটি উপখাতের মূল পরিচালন বিভাগগুলোর জন্য স্পষ্ট। সরকার গঠিত আমলাতান্ত্রিক কাঠামোতে পরিচালিত এনএসডিসি এই উপখাতগুলোর উন্নয়নে রত হলেও এখনো এই ইন্ডাস্ট্রি-স্পেসিফিক স্কিল আর্কিটেকচারের কার্যকর উত্তর দিতে পারেনি। এই উত্তরহীনতা বাংলাদেশের জন্য আদৌ সুসংবাদ নয়। কেননা ওষুধশিল্পের মার্কেটিং ও চামড়া শিল্পের মার্কেটিং একই ধরনের নয়। মানবসম্পদ তখনই মূল্যবান, যখন দক্ষতায় রূপান্তরিত হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা‑শিল্প সংযুক্তি এই বাস্তবতাই প্রমাণ করে। আর সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই ইন্ডাস্ট্রি-পেশাজীবী- একাডেমিয়া এবং সরকারের সমন্বয়ে ন্যাশনাল স্কিল আইডেন্টিফিকেশন কমিটি (এনএসআইসি) গঠন করতে হবে, যা আমলাকেন্দ্রিক হবে না, বরং উদ্যোক্তা-পেশাজীবী-একাডেমিয়া নির্ভর হবে এবং দায়বদ্ধ থাকবে সরকারপ্রধানের কাছে। আগের ব্যর্থতার কথা মাথায় রেখে এনএসডিসিকে বাংলাদেশের স্বার্থেই শুধু সমন্বয়কের ভূমিকায় রাখতে হবে। এনএসডিসি শুধু নীতি সহায়তা দেবে, কিন্তু এনএসডিবির হাতে থাকবে বাস্তবায়নের ক্ষমতা, বাজেট ব্যয়ের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহি সরকারপ্রধানের কাছে। এই ভারসাম্য না এলে আমাদের দক্ষতা উন্নয়ন চিরকাল অন্ধকারেই থেকে যাবে। বাস্তবায়নকারী হিসেবে এনএসডিবিকে আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলাম ও সার্টিফিকেট সুনিশ্চিত করতে হবে, যা বিদেশে গিয়ে ছাত্রদের অথই জলে ফেলবে না। তাহলেই রেমিট্যান্স টেকসইভাবে বাড়বে। 

এ জন্য ত্রিস্তরীয় কর্মকৌশল জরুরি। চীন সরকারকে নিয়ে বাংলাদেশ একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে পারে। নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্র, যেখানে কর্মীরা শিখবে অগ্রসরমাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার, ডিজিটাল দক্ষতা ও স্মার্ট শিল্পায়ন। সেখানে চীনাদের করপোরেট অ্যাপ্রেনটিসশিপ মডেল চালু হবে, হাতে-কলমে কাজ শিখবে, কাজে লাগাবে। আর চীনের তিন বছরের ডিজিটাল কর্মী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৫০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী প্রশিক্ষণ পাবে-তাদের সার্টিফিকেট হবে আন্তর্জাতিক, চাকরি হবে দেশে আর বিদেশে।এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে-সফলতা কি পরীক্ষা পাসের শতাংশ কিংবা সেতু-মেট্রো রেলের সংখ্যা দিয়ে মাপা হবে, নাকি মানুষের দক্ষতাকে প্রধান পাথেয় করে টেকসই উন্নয়নের পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রের আগামী উন্নয়ন প্রতিযোগিতা কিন্তু অবকাঠামোতে নয়, বরং সক্ষম জনগোষ্ঠী দ্বারাই নির্ধারিত হবে। পরিসংখ্যানের ভাষা সাধারণ মানুষের জন্য প্রায়ই দুর্বোধ্য। ফলে তখন রাজনৈতিক ভাষ্যই অনেক সময় চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। অথচ গণতান্ত্রিক সমাজে সংখ্যার স্বচ্ছতা ও স্বাধীন পর্যালোচনা অন্তত জরুরি। অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো-উন্নয়নের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না। শহরের ঝলমলে অট্টালিকার পাশে বস্তির শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। একদিকে বিলাসবহুল হাসপাতাল অন্যদিকে গ্রামীণ ক্লিনিকে চিকিৎসার অভাব। আয় বৈষম্য বাড়লে সমাজে অসন্তোষ, নিরাপত্তা ও অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যায়। নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমলে অভ্যন্তরীণ বাজার সঙ্কুচিত হয়। শিক্ষায় বিনিয়োগ না করতে পারলে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হয় না। প্রজন্মগত দারিদ্র্য স্থায়ী হয়ে যায়। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদে প্রবৃদ্ধি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে। গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হয়। 

নির্বাচনের পর তাই সরকারের অন্যতম দায়িত্ব হওয়া উচিত ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিস্তার, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা। শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, প্রবৃদ্ধির বণ্টন-এই দৃষ্টিভঙ্গিই মানুষের উন্নয়নের মূল কথা। বাংলাদেশের একটা বড় অংশই তরুণ। এই জনমিতিক সুবিধা সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে তা দেশের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে। কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থা যদি যুগোপযুগী না হয়, দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সীমিত থাকে, আর কর্মসংস্থান পর্যাপ্ত না হয় তবে এই সম্ভাবনা বোঝায় পরিণত হতে পারে। নির্বাচনের সময় তরুণদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে-স্টার্টআপ সহায়তা, প্রযুক্তি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবনের সুযোগ।কিন্তু নির্বাচনের পর প্রশ্ন হলো,এই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কতটা রূপ পায়? তরুণদের কেবল কর্মী হিসাবে নয়, চিন্তাশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি। তাদের অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি, নীতি প্রণয়নে মতামত দেওয়ার সুযোগ এবং মুক্ত চিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ মানুষের উন্নয়ন মানে ভবিষ্যত প্রজন্মের সম্ভাবনাকে সুরক্ষিত করা।একটি জাতির শক্তি নির্ভর করে তার মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ওপর। উন্নত অবকাঠামো অর্থহীন, যদি অসুস্থ মানুষ ও মানুষ অশিক্ষিত থাকে। স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার কমানো-এসবই মানব উন্নয়নের অপরিহার্য উপাদান। একইভাবে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণায় উৎসাহ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা জরুরি। নতুন সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত এই দুই খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা। মনে রাখতেই হবে,উন্নয়নের আসল মানদণ্ড হলো মানুষের হাসি, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্ভাবনার বিকাশ।

লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


 
তালায় আমরা বন্ধু'র ‘পুষ্টি-উঠোন’ অনুষ্ঠিত
তালায় আমরা বন্ধু'র ‘পুষ্টি-উঠোন’ অনুষ্ঠিত
নিরাপদ খাদ্য সুস্বাস্থ্যের আঙিনা এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘পুষ্টি-উঠোন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ...
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের সমাপনীতে গুজব ও অপপ্রচার রুখে দেওয়ার প্রত্যয়
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের সমাপনীতে গুজব ও অপপ্রচার রুখে দেওয়ার প্রত্যয়
সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত ‘মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ...
আপনিই কি অপো ক্যাম্পাসের আগামী দিনের লিজেন্ড! লক্ষ্যপূরণে যুক্ত হোন অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে
আপনিই কি অপো ক্যাম্পাসের আগামী দিনের লিজেন্ড! লক্ষ্যপূরণে যুক্ত হোন অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ‘অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ...
৪নং চররুহিতা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
৪নং চররুহিতা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
দীর্ঘ ৮ বছর পরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পশ্চিম যুবদলের আওতাধীন চররুহিতা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।যুবদলের সুসংগঠিত করতে ইউনিয়ন যুবদলের ...
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আজ মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ...
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ: বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা উপদেষ্টা
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ: বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা উপদেষ্টা
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিজ টেস বি. ব্রেসনান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)  সকালে ...
মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু
মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও বোনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা ...
পবিত্র আশুরার শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ
পবিত্র আশুরার শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ
পবিত্র আশুরা ইসলামের ইতিহাসে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন। আরবি ‘আশারা’ শব্দ থেকে ‘আশুরা’ শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ দশ। ...
চৈতালী চক্রবর্তী কার এজন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় !
চৈতালী চক্রবর্তী কার এজন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় !
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উঁচু রামমূর্তি নির্মাণ হচ্ছে। আর এ নিয়ে চলছে নানা বাদানুবাদ। মুসলিশ সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রে মন্দির এলাকার বাইরে ...
১০
জামায়াত-এনসিপি সরকারের আস্তিনের সাপ : মোমিন মেহেদী
জামায়াত-এনসিপি সরকারের আস্তিনের সাপ : মোমিন মেহেদী
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, বর্তমান সংসদে বিরোধী দল সেজে থাকা ১১ দলীয় জোটের সকল দলের মত জামায়াত-এনসিপি ...
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবির ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে রবিবার দুপুরে ব্যাটালিয়নের সৈনিক মেসে এক ...
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ...
চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের ভ্রাম্যমান কার্যক্রম জোরদারের আহবান
চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের ভ্রাম্যমান কার্যক্রম জোরদারের আহবান
চট্টগ্রামে নিররপদ খাদ্য আদালত মাঠ পর্যায়ে তদারকি কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্টান সরেজমিনে পরিদর্শন করে নানা অনিয়ম ও অপরাধের ...
ত্রিশালে ৬৫৯ পরিবার পেল ‘ফ্যামিলি কার্ড’
ত্রিশালে ৬৫৯ পরিবার পেল ‘ফ্যামিলি কার্ড’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ৬৫৯টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে ...
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দার বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি : ইউপি চেয়ারম্যান টিপু
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দার বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি : ইউপি চেয়ারম্যান টিপু
“মহানন্দা নদীর বালু আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি” বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ...
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ‘গেট এনগেজড ২০২৬’
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ‘গেট এনগেজড ২০২৬’
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গেট এনগেজড’ সম্মেলনের ১৩তম আসর। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ...
ডিমের কুসুম নাকি সাদা অংশ, কোনটি খাওয়া ভালো?
ডিমের কুসুম নাকি সাদা অংশ, কোনটি খাওয়া ভালো?
সকালের নাশতায় ওমলেট, সেদ্ধ ডিম কিংবা বিকেলের নাস্তায় ডিমের পোচ—বাঙালির খাদ্যতালিকায় ডিম আমাদের সেভিওর। কম খরচে এত ভালো প্রোটিনের উৎস ...
আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে!
আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে!
বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে, তখন শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো নিয়ে এসেছে তাদের বিশেষ বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন ...
১০
প্রতিদিন লবঙ্গ খেলে মেলে যত উপকার
প্রতিদিন লবঙ্গ খেলে মেলে যত উপকার
একটি ছোট শুকনো ফুলের কুঁড়ি ‘লবঙ্গ’। এই কুঁড়ি শুধু খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধই বাড়ায় না, এতে রয়েছে বহু স্বাস্থ্যগুণও।আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)
প্রকাশক কর্তৃক ৭৯/বি, ব্লক বি, এভিনিউ ১, সেকশান ১২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ থেকে প্রকাশিত ও ৫২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা ১১০০ থেকে মুদ্রিত
বার্তাকক্ষ : +৮৮০১৯১৫৭৮৪২৬৪, ই-মেইল editor@natun-barta.com, Web : www.Natun-Barta.com.com